গণধর্ষণের শিকার বাংলাদেশি তরুণীকে পতিতাবৃত্তিতে বাধ্য করা হয়েছিল

rape-

নিউজ ডেস্কঃ বাংলাদেশি এক তরুণীকে ভারতের কেরালায় নিয়ে পৈশাচিক নির্যাতনের ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর তোলপাড় শুরু হয়। এ ঘটনায় নির্যাতনকারী দুই নারীসহ ছয়জনকে গ্রেফতার করে বেঙ্গালুরু থানা পুলিশ। গ্রেফতার সবাই বাংলাদেশি।

জানা গেছে, গণধর্ষণের শিকার বাংলাদেশি তরুণীকে পতিতাবৃত্তি করতে বাধ্য করা হয়েছিল। অবশেষে তাকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। কেরালা রাজ্যের কোঝিকোড়িতে গত শুক্রবার শনাক্ত করার পর তাকে বেঙ্গালুরুতে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

পুলিশ প্রতিবেদনে বলা হয়, ওই তরুণীর বয়স যখন ২০, তখনই আসামিদের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। এর মধ্যে দুজন তার দূর সম্পর্কের আত্মীয় বলে জানা গেছে।

নির্যাতনের শিকার ওই তরুণী ঢাকার মগবাজার এলাকার বাসিন্দা। সৌদি আরবে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন ওই তরুণী। দুবছর আগে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় তার।

তাকে উদ্ধার করা বেঙ্গালুরু পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, এরই মধ্যে ওই তরুণী দুবাই গিয়েছিলেন। সেখানে তাকে দেহ ব্যবসায় বাধ্য করা হয়েছিল এবং প্রায় এক বছর ধরে তিনি সেখানকার একটি বারে নর্তকীর কাজও করেছিলেন। কয়েক মাস আগে ওই তরুণী তার দূর সম্পর্কের আত্মীয় মোহাম্মদ বাবা শেখের কথায় ভারতে ফেরেন। বাবা শেখ নিজেও একটি পতিতাবৃত্তি চক্রের সদস্য।

এদিকে বাবা শেখ ও তার সহযোগীরা বাংলাদেশ থেকে আসা নারীদের ভারতে বিউটি সেলুন ও গৃহকর্মীর কাজ জুটিয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেখিয়ে পাচার করতেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

পুলিশ জানায়, আর্থিক কলহ মেটানোর কথা বলে ওই তরুণীকে বেঙ্গালুরুতে নিয়ে আসা হয়েছিল। তিনি একটি ঘরে ঢুকতেই অভিযুক্তরা সহিংস হয়ে ওঠে। তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয়, যৌন নির্যাতন চালানো হয় এবং ফোনে ভিডিও ধারণ করা হয়।

  •  
  •  
  •  
  •  
ad0.3