সাহেদের সেই রিজেন্ট হাসপাতাল এখন আবাসিক ভবন

regent

নিউজ ডেস্কঃ গতবছর যখন করোনার ধাক্কায় অনেকটাই বেসামাল দেশ তখন ধাক্কা সামলাতে বিনামূল্যে করোনা পরীক্ষা ও চিকিৎসার জন্য রিজেন্ট হাসপাতালের সঙ্গে চুক্তি করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। শতাব্দীর ভয়াবহ অতিমারি আক্রান্ত মানুষ অবাক বিস্ময়ে দেখে ক্ষমাহীন এক প্রতারণার চিত্র।

সবার চোখ ফাঁকি দিয়ে পরীক্ষা না করেই অর্থের বিনিময়ে করোনা নেগেটিভ সনদ প্রদানসহ মোহাম্মদ সাহেদের মালিকানাধীন রিজেন্ট হাসপাতালের নানা অপকর্ম সামনে আসে র‌্যাব অভিযানে। দুদিন ধরে চলা অভিযানে সামনে আসতে প্রতারণা, জালিয়াতি আর অনিয়মের দগদগে ক্ষত।

সেই ঘটনার পর পেরিয়েছে প্রায় এক বছর। এখন কি অবস্থা আলোচিত সেই রিজেন্ট হাসপাতালের। এ বিষয়ে এলাকার লোকজন বলছেন, চলতি বছরের শুরুতে আদালতের অনুমতি নিয়ে রিজেন্ট কর্তৃপক্ষ তাদের মালামাল নিয়ে গেলে শুরু হয় বাড়িটির সংস্কারকাজ। খুলে ফেলা হয়েছে, হাসপাতালের সাইনবোর্ড। বদলে ফেলা হয়েছে ভবনের রংও।

একজন জানান, সম্প্রতি বাড়িটি মালিকের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। বাড়ির মালিক পুরো বাড়ি রং করেছেন এবং ভাড়ার জন্য ভাড়াটিয়া খুঁজতেছেন।

ভবনের কেয়ারটেকার জানান, বাড়িটিকে গড়ে তোলা হচ্ছে আবাসিক হিসাবে। সংস্কারকাজ শেষ হলে বাড়িটির প্রতিটি ইউনিট ফ্ল্যাট হিসেবে ভাড়া দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য রোগীদের কাছ থেকে টাকা নেওয়া, পরীক্ষা ছাড়াই সার্টিফিকেট প্রদানসহ বিভিন্ন অভিযোগে ২০২০ সালের ৭ জুলাই রিজেন্ট হাসপাতালের বিরুদ্ধে উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলা করে র‌্যাব। মামলায় রিজেন্ট গ্রুপের চেয়ারম‌্যান মো. সাহেদকে প্রধান আসামি করে আরও ১৭ জনের নাম উল্লেখ করা হয়। তখন পালিয়ে বেড়ান সাহেদ। দেশ ত‌্যাগ করার চেষ্টা করেন তিনি।

মামলা হওয়ার এক সপ্তাহ পর ২০২০ সালের ১৫ জুলাই সাতক্ষীরা দেবহাটা থানার, সাকড় বাজারের পাশের লবঙ্গপতি এলাকা থেকে পালিয়ে থাকা সাহেদকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। তার বিরুদ্ধে করা মামলা বর্তমানে বিচারাধীন রয়েছে। আর সাহেদ আছেন কারাগারে।

  •  
  •  
  •  
  •  
ad0.3

Tags: ,