রেমডিসিভির ওষুধের আনুষ্ঠানিক অনুমোদন

নিউজ ডেস্কঃ

করোনা চিকিৎসায় রেমডিসিভির ওষুধের আনুষ্ঠানিক অনুমোদন দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসন -এফডিএ। পাঁচদিনের ক্লিনিকাল ট্রায়ালে রোগীর করোনামুক্তিতে এটি ব্যাপকভাবে সফল হয়েছে বলেও দাবি করা হয়। এর আগে, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পক্ষ থেকে করোনা চিকিৎসায় রেমডিসিভির মোটেও কার্যকর নয় বলে দাবি করা হলেও, তা প্রত্যাখ্যান করে এর উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান।

এছাড়াও, এফডিএ’র গবেষকরা জানান, একটি কার্যকর করোনার ভ্যাকসিন বাজারে এলেও, বর্ণভেদে এটি সবার ক্ষেত্রে কার্যকর নাও হতে পারে। বিষয়টি নিয়ে তারা কাজ করছে বলেও জানানো হয়। তবে, ডিসেম্বরের মধ্যেই ভ্যাকসিন বাজারে আনতে সব ধরনের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে এফ.ডি.এ।

যুক্তরাষ্ট্রের ফাইজার এবং জার্মানির বায়োএনটেক যৌথভাবে জাপানে তাদের উদ্ভাবিত ভ্যাকসিনের প্রথম ও দ্বিতীয় পর্যায়ের ট্রায়াল শুরু করতে যাচ্ছে। এ লক্ষ্যে ২০ থেকে ৮৫ বছর বয়সী ১৬০ জন স্বেচ্ছাসেবী সংগ্রহ করবেন তারা। শুধু তাই নয়, প্রতিষ্ঠান দুটি জাপানকে ২০২১ সালের জুনের মধ্যে ১২ কোটি ডোজ ভ্যাকসিন দেয়ার অঙ্গীকার করেছে।

ভারতের ওষুধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান ‘ভারত বায়োটেক’কে তাদের তৈরি করোনার ভ্যাকসিন ‘কোভ্যাকসিন’ এর তৃতীয় পর্যায়ের ট্রায়ালের অনুমতি দেয়া হয়েছে। হায়দ্রাবাদ ভিত্তিক এ প্রতিষ্ঠানটি এ মাসের শুরুর দিকে দেশটির ওষুধ নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরে ভ্যাকসিনটির তৃতীয় পর্যায়ের ট্রায়ালের অনুমতির আবেদন করে। এরইমধ্যে ভারতের ১০টি রাজ্যের ১৯টি শহরে প্রায় সাড়ে ২৮ হাজার মানুষের শরীরে ভ্যাকসিনটির প্রথম ও দ্বিতীয় দফার পরীক্ষা চালিয়েছে ভারত বায়োটেক।

চীনের রাষ্ট্রীয় ওষুধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান জানিয়েছে আগামী বছরের মধ্যে ১০০ কোটি ডোজের বেশি ভ্যাকসিন উৎপাদনের সক্ষমতা অর্জন করবে চীন। দেশটিতে এরইমধ্যে রাষ্ট্রীয় দুটি প্রতিষ্ঠানের ভ্যাকসিনের তৃতীয় পর্যায়ের ট্রায়াল অব্যাহত রয়েছে। ভ্যাকসিন দুটির পরীক্ষা চলছে সংযুক্ত আরব আমিরাত, ব্রাজিলসহ আরও কয়েকটি দেশে।

  •  
  •  
  •  
  •