সংক্রমণ প্রতিরোধে পর্তুগালে লকডাউন ঘোষণা

নিউজ ডেস্কঃ

এক কোটি জনসংখ্যার দেশ পর্তুগালে প্রতিদিনই বাড়ছে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা। সেই সাথে দীর্ঘ হচ্ছে দেশটিতে মৃত্যুর মিছিল। গতকাল বৃহস্পতিবার (১৪ জানুয়ারী) পর্যন্ত দেশটিতে মোট ৫ লাখ ১৭ হাজার ৮০৬ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন এবং মৃত্যুবরণ করেন ৮ হাজার ৩৮৪ জন।

করোনা ভাইরাসের এমন মহামারির সংক্রমণ এবং সংকট রোধে পর্তুগালের প্রধানমন্ত্রী আন্তোনিও কোস্তা জাতির উদ্দেশ্যে এক ভাষণে আজ শুক্রবার (১৫ জানুয়ারী) থেকে ৩০ জানুয়ারী পর্যন্ত দেশব্যাপী লকডাউন ঘোষণা করেছেন। এসময় দেশটির প্রধানমন্ত্রী করোনা সংকট মোকাবেলায় দেশের মানুষকে স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলা এবং গত বছরের মার্চ এবং এপ্রিল মাসের লকডাউনের মতোই ঘরে থাকার উপর গুরুত্বারোপ করেন।

শুক্রবার থেকে শুরু হওয়া এই লকডাউনের সাধারণ নিয়মকানুন সমূহ গতবছরের ললডাউনের ন্যায় একই থাকবে। শুধু মাত্র বড় পরিবর্তন আসবে শিশুরা তাদের স্কুলে যেতে পারবে এবং সকল ধরনের শিক্ষা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। লকডাউন চলাকালীন অতীতের ন্যায়ে সবাইকে ঘরে বসে কাজকর্ম চালিয়ে যাওয়ার নিদর্শনা দেওয়া হয়েছে এবং আইন অমান্যকারীর বিরুদ্ধে জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে।
লকডাউনের ফলে যেসকল ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বাধ্যতামূলক ভাবে বন্ধ থাকবে তারা স্বয়ংক্রিয়ভাবে লে-অফের আওতায় চলে যাবে এবং তাদেরকে সরকারের পক্ষ থেকে অতীতের ন্যায়ে সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। সেই সঙ্গে সেলুন, সেন্ট্রো কমার্শিয়াল (বিপনি বিতান) জিম ও রেস্তোরাঁ বন্ধ থাকবে। তবে চাইলে রেস্তোরাঁ গুলো থেকে হোম ডেলিভারি চালু রাখতে পারবে। তবে সুপারমার্কেট (গ্রোসারি শপ) ও ফার্মেসী খোলা থাকবে।

  •  
  •  
  •  
  •