সাভারের কেন্দ্রীয় গো-প্রজনন খামারে গরু চুরি, ৭ কর্মচারী বরখাস্ত

সাভার প্রতিনিধি:
সাভারের কেন্দ্রীয় গো- প্রজনন ও দুগ্ধ খামারের গরু চুরি ও জবাই করার দায়ে সাত কর্মচারীকে সাময়িক বরখাস্থ করেছে কর্তৃপক্ষ। এ ব্যাপারে বিভাগীয় দুটি পৃথক তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

০৫ অক্টোবর বৃহস্পতিবার দুপুরে আশুলিয়া থানায় বিষয়টি অবহতি করে কেন্দ্রীয় গো- প্রজনন ও দুগ্ধ খামার কর্তৃপক্ষ। এ ছাড়া এ ব্যাপারে আশুলিয়া থানায় একটি মামলা দায়ের প্রস্তিুতি চলছে বলেও জানান কর্তৃপক্ষ।

সাময়িকভাবে বরখাস্ত মাস্টার রোল কর্মচারীরা হলো-নান্নু মিয়া, শুক্কর আলী, মাসুদ রানা, তোতা মিয়া, মিসের আলী, গনি মিয়া, আব্দুল বারেক। প্রতিষ্ঠানের গরু চুরি ও জবাই করে খাওয়ার ব্যাপারে দুটি পৃথক তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। চুরির তদন্ত তদন্তের জন্য প্রতিষ্ঠানটির ডা. নরুল উল্লাহ আহসান ও জবাইয়ের ডা. মোস্তফা মহীদ্দিন জামান নেতৃত্বে তদন্ত কমিটি আগামী সাত কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নিদের্শ দেয়া হয়েছে।

কেন্দ্রীয় গো- প্রজনন ও দুগ্ধ খামারে প্রশাসন বিভাগের সহকারি পরিচালক ডা. সৌরেন্দ্র নাথ সাহা কাঞ্চন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, গরুগুলো মাঠে প্রতিদিন সকালে মাঠে চড়ানো হয় ও বিকালে আবার খামারে রাখা হয়। মোট কথা দেখা শুনার ও হিসাব নিকাশ বিষযটি কর্মচারীরা রাখেন। কিন্তু গত ২৭ সেপ্টেম্বর তিন গরুর হিসাব দিতে তারা ব্যর্থ হয়। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে কোন সদোত্তর দিতে পারেনি।

প্রাথমিকভাবে জানা যায়, কয়েক কর্মচারীর যোগ সূত্রে গো-প্রজনন খামারের গরু চুরির করা হয়েছে। পরে আশুলিয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়।
এদিকে এ ঘটনায় জড়িত থাকার সন্দেহে সাত কর্মচারীকে বরখাস্ত করে দুইটি আলাদা বিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল আউয়াল জানান, অভিযোগটি পাওয়ার পরপরই আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। জড়িত সন্দেহে বিভিন্ন ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।

Comments

comments