নতুন বছরে সরকারের উপহার ফোর-জি : তারানা

নিউজ ডেস্কঃ

‘ডিসেম্বরে চালু করার লক্ষ্যমাত্রা থাকলেও নতুন বছরে সরকারের পক্ষ থেকে দেশের জনগণকে উপহার হিসেবে চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইল সেবা ফোর-জি সেবাটা দেব। তবে আমাদের সবসময় টার্গেট থাকবে যত দ্রুত সম্ভব এটা চালু করা।’

ফোরজি চালু বিষয়ে বুধবার সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম।

এর আগে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের পক্ষ থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে এই সেবা চালু হবে বলে জানানো হয়েছিল।

সংবাদ সম্মেলনে তারানা হালিম বলেন, ‘ফোর-জি চালু করার জন্য আমাদের যে কার্যক্রম, সেটা আনুষ্ঠানিকভাবে আজকে থেকে শুরু হয়ে গেছে। জানুয়ারির দিকে এ সেবা দিতে পারব আমরা। এতদিন সভা, মতামত গ্রহণ, গাইডলাইন সংশোধন- এ প্রাথমিক কাজগুলো করেছি। আজকে থেকে দ্বিতীয় ধাপের দিকে অগ্রসর হবো।’

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘ফোর-জি চালুর ক্ষেত্রে অপারেটরদের ২৩টি প্রস্তাবের ২২টি শতভাগ পূরণ করা হয়েছে। এছাড়া বাকি একটি শর্তের আংশিক পূরণ হয়েছে। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের সঙ্গে পরামর্শ করে প্রস্তাবের সারসংক্ষেপ প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠিয়েছি। প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন করা সার-সংক্ষেপ আজ আমাদের কাছে এসে পৌঁছেছে। আমরা এটি আজকে বিটিআরসিতে (বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ রেগুলেটরি কমিশন) পাঠিয়ে দেব।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের কিছু বাধ্যবাধকতা আছে, কনভার্সন ফি জমা দেয়ার ব্যাপার আছে। কত দ্রুত তারা (অপারেটররা) ফি জমা দেন, এগুলো মাথায় রেখে আমরা ডিসেম্বরের মধ্যে কাজটা শুরু করতে চাচ্ছি। আশা করছি, নতুন বছরের প্রথমে জানুয়ারিতে জনগণের কাছে সেবাটা পৌঁছে দিতে সমর্থ্য হবো।’

ফোর-জি সেবার প্রাথমিক স্পিড বিষয়ে তারানা বলেন, ‘ফোর-জি লাইসেন্স নীতিমালায় ফোর-জি’র প্রাথমিক স্পিড ২০ মেগাবিটস পার সেকেন্ড ((এমবিপিএস) নির্ধারণ করা হয়েছে। বিটিআরসি সময় সময় গতি পরিবর্তন করতে পারবে বলে নীতিমালায় রাখা হয়েছে। আগের নীতিমালায় এই স্পিড ন্যূনতম ১০০ এমপিবিএস রাখা হয়েছিল। রেকর্ড সময়সীমা কমিয়ে এসে দুই বছর করা হয়ে্ছে। যা আগে ১২ বছর ছিল। ভ্যাট ও ট্যাক্সের বিষয়ে বিটিআরসিতে জমা দেয়ার বাধ্যবাধকতা না রেখে যথাযথ কর্তৃপক্ষের রাখা হয়েছে।’

Comments

comments