চবির যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ২৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী

নিউজ ডেস্কঃ

পথচলার তেইশ বছর পাড়ি দিল চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ। ১৯৯৪ সালের ২০ জন শিক্ষার্থী নিয়ে ‘সাংবাদিকতা’ নামে যাত্রা করেছিল এ বিভাগ। পরবর্তীকালে ২০০৯ সালে এসে ‘যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা’ বিভাগ নাম ধারণ করে। কালের পরিক্রমায় তেইশটি বসন্ত পেরিয়ে আজ চব্বিশে পা রাখল প্রিয় এ বিভাগ।

এ উপলক্ষে রোববার র‌্যালি, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সমাজ বিজ্ঞান অনুষদ মিলনায়তনে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে উপচার্য প্রফেসর ড. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন।

এর আগে বেলা ১১টায় বেলুন উড়ানোর মধ্য দিয়ে শুরু হয় মূল আনুষ্ঠানিকতা। এরপরেই সমাজ বিজ্ঞান অনুষদের সামনে থেকে বের করা হয় একটি আনন্দ শোভাযাত্রা। এতে বিভাগের শিক্ষকসহ প্রায় পাঁচ শতাধিক প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থীরা অংশ নেয়। এসময় ঢোলের বাদ্য বাজনায় রঙ্গিন ব্যানার ফেস্টুনে সৃষ্টি হয় ভিন্ন এক আমেজ। শোভাযাত্রাটি বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু চত্বর প্রদক্ষিণ করে ফের অনুষদ প্রাঙ্গণে এসে সমাপ্ত হয়।

এদিকে বিভাগের সভাপতি আবুল কালাম আজাদের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. শিরীণ আক্তার, সমাজ বিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. ফরিদ উদ্দিন আহামেদ, বিভাগের প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি প্রফেসর হায়াত হোসেন, বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও প্রক্টর আলী আজগর চৌধুরী, যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ এলামনাই অ্যাসোসিয়েশিনের সভাপতি শিমুল নজরুল। সঞ্চালনায় ছিলেন বিভাগের শিক্ষক মাধব চন্দ্র দাশ ও এলামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক হামিদ উল্ল্যাহ।

এদিকে উপাচার্য তার বক্তব্যে বলেন, ২৩টি বসন্ত পেরিয়ে সাংবাদিকতা বিভাগ যৌবনে উদ্ভাসিত। এ বিভাগের আগামী দিনের সাংবাদিকরা দেশকে পথ দেখাবে। অন্ধকারের অপশক্তি ও কূপমণ্ডূকতার বিরুদ্ধে লড়াই করে যুদ্ধে জয়ী হবে। এসময় তিনি এ মহান পেশাকে কলুষিত না করারও আহ্বান জানান।

বিভাগের সভাপতি আবুল কালাম আজাদ বলেন, বিভাগকে একসূত্রে গাঁথার চেষ্টা থেকেই আজকের এ আয়োজন। ২৩ বছরে টগবগে তারুণ্যে এ বিভাগ। আগামীতে এ বিভাগ থেকে ক্যাম্পাস রেডিও ও টেলিভিশন চালু করা হবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

এছাড়া আলোচনা সভায় পুরনো দিনের স্মৃতিচারণ করেন প্রথম ব্যাচের শিক্ষার্থী ফজলুল করিম, পঞ্চম ব্যাচের শিক্ষার্থী তাহমিনা তানিয়া ও সায়মা আলম ও ১৩তম ব্যাচের শিক্ষার্থী তারেক রহমান। এদিকে বিকেলে শিক্ষার্থীদের আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

Comments

comments