মশার জীবাশ্মে পাওয়া গেল ডাইনোসরের রক্ত!

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি ডেস্ক:
মশার একটি জীবাশ্ম পাওয়া গেছে। সেই মশার দেহে আছে ডাইনোসরের রক্ত। সেই রক্তও ফসিল হয়ে গেছে মশার সঙ্গে। এবার বিজ্ঞানীদের ভ্রূ কুঁচকে গেছে। প্রাগৈতিহাসিক প্রাণীটিকে আবার ফিরিয়ে আনা সম্ভব? ঠিক যেন জুরাসিক পার্ক মুভির মতো ঘটনা।

বিজ্ঞানীরা এমনই এক মশা খুঁজে পেয়েছেন। স্ফটিকের সঙ্গে অক্ষত রয়েছে মশা। বিজ্ঞানীরা আগে থেকেই বলে আসছিলেন, প্রাগৈতিহাসিক প্রাণীটিকে ফিরিয়ে আনা সম্ভব যদি তার দেহের কোনো তরল মেলে। মশার যে জীবাশ্ম ফসিলটি মিলেছে তা ১০০ মিলিয়ন বছরের পুরনো।

মিরর অনলাইনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, রক্তচোষো প্রাণীটি স্বাভাবিক আকারের মশার চেয়েও ১০ গুন বড় আকারের ছিল। কারণ, এর দেহে ছিল ডাইনোসরের ডিএনএ।

সেখানে আরো পাওয়া গেছে একটা জিনিস যেটাকে ডাইনোসরের পাখনা বলে মনে করা হচ্ছে। বিজ্ঞানীরা ভাবছেন, এর মাধ্যমে হয়তো আবারো সেই হারানো প্রাণীটিকে ফিরিয়ে আনা যাবে।

এই আবিষ্কার নিয়ে ড. রিকার্ডো পেরেজ-ডি-লা-ফুয়েন্তে বলেন, এই পাখনাটি প্রমাণ করে যে থেরোপড ডাইনোসর নিয়ে যে গবেষণা হলো সে ডাইনোসরের অস্তিত্ব ছিল। এই ডাইনোসরগুলো মাটিতেই দৌড়াদৌড়ি করতো। তারা আকাশে উড়তে পারতো না। ওই সময় পাখিদের মতো উড়তে পারা ডাইনোসরও কিন্তু শক্তির প্রয়োগ আকাশে উঠতো।

ক্রেটাসিয়াস যুগের এই বার্মিজ অ্যাম্বার নিশ্চিত করছে যে, এই পাখনাটি আধুনিক যুগের কোনো পাখির নয়। এটা আসলে পরবর্তিতে থেরোপডের বিবর্তনে সময়কার। ফসিল বিশ্লেষণ এবং মলিকিউল গবেষণার মাধ্যমে তেমন তথ্যই উঠে এসেছে।

সূত্র: এমিরেটস

Comments

comments