ডিমের খোসা ফেলে না দিয়ে কাজে লাগান

নিউজ ডেস্ক:

বাংলাদেশে আলুর মতোই খাদ্য হিসেবে ডিম জনপ্রিয়। ডিম রান্নার পর আমরা সাধারণত এর খোসা ফেলে দেই। আমরা এটাকে আবর্জনা হিসেবে জানি। কিন্তু আপনি হয়তো জানেন না এই ফেলনা ডিমের খোসা দিয়ে আপনি প্রয়োজনীয় অনেক কাজ সারতে পারেন।

চলুন জেনে নিই কি কি কাজে ডিমের খোসা ব্যবহার করতে পারি-

• রান্নার পাত্রের পোড়া দাগ তুলতে প্রথমে ডিমের খালি খোসাগুলো গুঁড়া করে নিন। এবার পাত্রের মধ্যে খোসার গুঁড়া, লবণ এবং পানি দিয়ে ফুটিয়ে নিন। পানি ফুটে উঠলে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। দেখবেন পোড়া দাগ সহজেই উঠে গেছে।

• ব্লেন্ডারের ব্লেডগুলো ধারাল করতে এবং ভিতরের জমে থাকা ময়লা সহজে দূর করতে ডিমের খোসা ফ্রিজে রেখে ঠাণ্ডা করুন। এরপর ব্লেন্ডারে সামান্য পানি দিয়ে ঠাণ্ডা ডিমের খোসা ব্লেন্ড করুন। দেখবেন ভিতরের ময়লা পরিষ্কার হয়ে গেছে।

• গাছের সার হিসেবে ডিমের খোসার তুলনা হয় না। খোসাগুলো গুঁড়া করে গাছের নিচে দিন।

• বাগানকে পোকামাকড়ের আক্রমণ থেকে বাঁচাতে ডিমের খোসা গুঁড়া করে ছিটিয়ে দিন। এতে পোকামাকড় বাগানে আসার সাহস পাবে না।

• ঘরে তৈরি করুন ডিমের খোসা দিয়ে স্ক্রাব। ডিমের খোসা গুঁড়া করে তাতে ডিমের সাদা অংশ মিশিয়ে নিন এবং মুখে লাগিয়ে শুকিয়ে নিন। কিছুক্ষণ পর কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এতে ত্বক পরিষ্কার এবং নরম থাকবে।

• যারা কফির তিতা স্বাদ পছন্দ করেন না তারা কফি দানার সাথে কিছু ডিমের খোসার গুঁড়ো মিশিয়ে দিন। এরপর কফি ছেঁকে নিন। ডিমের খোসা কফির তিক্ততা অনেকটা কমিয়ে আনবে।

• ত্বকের র‌্যাশ, চুলকানি, পোকার কামড়ের জ্বালা দূর করতে ডিমের খোসা ব্যবহার করুন। ভিনেগাররে মধ্যে ডিমের খোসা ২ থেকে ৩ দিন ভিজিয়ে রাখুন। খোসাগুলো ভিনেগারে মিশে গেলে মিশ্রণটি লাগান। এতে জ্বালা পোড়া কমে যাবে।

Comments

comments