দেশ বরেণ্য সুরকার আলী আকবর রুপু আর নেই

বিনোদন ডেস্ক:

দেশের বরেণ্য সুরকার ও সংগীত পরিচালক আলী আকবর রুপু আর নেই। আজ (২২ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১২টা ৪০ মিনিটের দিকে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

খবরটি বাংলা ট্রিবিউনকে নিশ্চিত করেছেন গীতিকার-সাংবাদিক কবির বকুল। গেল কয়েকদিন ধরে আলী আকবর রুপু রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন ছিলেন।

তিনি অনেক দিন থেকেই হৃদরোগে ভুগছিলেন। তার কিডনিতে সমস্যাও ছিল। মাস সাতেক ধরে তার কিডনির ডায়ালাইসিস চলছিলো।

এদিকে আলী আকবর রুপুর স্ত্রী নারগিস আকবর জানান, আজ (২২ ফেব্রুয়ারি) বাদ আছর গুলশান আজাদ মসজিদে প্রথম জানাজা শেষে মরদেহ নিয়ে যাওয়া হবে তার কর্মস্থল টিভি চ্যানেল বাংলাভিশন কার্যালয়ে। সেখান থেকে নিয়ে যাওয়া হবে রুপুর আবাসস্থল বড় মগবাজারের ডাক্তার গলিতে। সেখানে দ্বিতীয় নামাজে জানাজা শেষে আজিমপুর কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।

নারগিস আকবর তার স্বামীর বিদেহী আত্মার জন্য সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন।

প্রায় দুই যুগ ধরে জনপ্রিয় ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ‘ইত্যাদি’র অসংখ্য গানের সুর করছিলেন তিনি। উপহার দিয়েছেন বহু শ্রোতাপ্রিয় গান। তার উল্লেখযোগ্য গানের তালিকায় রয়েছে সাবিনা ইয়াসমিনের ‘প্রতিটি শিশুর মুখে হাসি’, এন্ড্রু কিশোরের ‘পদ্মপাতার পানি নয়’, মুরাদের ‘আমি আগের ঠিকানায় আছি’ প্রভৃতি।

রুপুর শুরুটা গিটার ও কিবোর্ড বাদক হিসেবে। ১৯৮০ সালে ‘একটি দুর্ঘটনা’ অ্যালবাম দিয়ে অডিও গানে তার অভিষেক ঘটে। প্রথম অ্যালবামেই তার সুর-সংগীত বাজিমাত করে। অ্যালবামের গানগুলো বেশ প্রশংসিত হয়।

১৯৮৪ সালে মালেক আফসারী পরিচালিত ‘রাস্তার ছেলে’ ছবিতে গান করেছেন বিখ্যাত এ সুরকার। মাত্র ছয়টি চলচ্চিত্রে কাজ করেছেন তিনি। আব্দুল্লাহ আল মামুনের ‘দুই বেয়াইর কীর্তি’ তার সংগীত পরিচালনায় সর্বশেষ চলচ্চিত্র।

Comments

comments