ডারউইনের বিবর্তন ভিত্তিক শ্রেণীকরণ ভুল এবং ডারউইন একজন পাদ্রী ছিলেন: ড. আহাদ

নিজস্ব প্রতিবেদক:
হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, দিনাজপুর-এর প্রফেসর ড. আব্দুল আহাদ-এর নতুন আবিস্কার: জীব জগতের ডারউইনের বিবর্তন ভিত্তিক শ্রেণীকরণ নেই (এটা ১১তম পঞ্চম আবিস্কার)। তার প্রবন্ধটি ‘Darwinian classification of plant and animal (taxonomical evidences) opposite to Darwin’s theory’ শিরোনামে Journal of Entomology and Zoology Studies Vol.6 no.1 pp.111-115/ 2018 সংখ্যায় প্রকাশিত হয়েছে।

[আর্টিকেলটি ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন]

ডারউইনের বিবর্তনের সংক্ষিপ্ত রুপ:
মিথেন, এমোনিয়া, পানি, কার্বডাই-অক্সাইড → এককোষি জীব→ অমেরুদন্ডী প্রাণী → ফুলকাযুক্ত মাছ → উভচর প্রাণী (যেমন-ব্যাঙ) → সরিসৃপ জাতীয় প্রাণী (যেমন- সাপ, ডায়নসর) → অমরাযুক্ত স্তন্যপায়ী প্রাণী → উচ্চতর স্তন্যপায়ী প্রাণী যেমন-সিমপাঞ্জী) → মানুষ। জীব জগতের বিবর্তন ভিত্তিক শ্রেণীকরন ডারউইনের থিওরী অন্যতম একটি প্রমান। উদ্ভিদ ও প্রাণীকে প্রজাতি (species) জেনাস (genus), পরিবার (family), বর্গ (order), প্রভৃতিতে শ্রেণী বিভাগ করা হয়। বিবর্তন বিজ্ঞানীরা কোন প্রাণী হতে কোন প্রাণী এবং কোন উদ্ভিদ হতে কোন উদ্ভিদ বিবর্তনের মাধ্যমে উৎপত্তি হয়েছে তা বিশ্বাস-এর উপর ভিত্তি করে বিবর্তন ভিত্তিক প্রাণীর ও উদ্ভিদের শ্রেণীবিভাগ করেছেন।

উদ্ভিদে প্রায় ১০ জন অধিক বিজ্ঞানীর বিবর্তন ভিত্তিক শ্রেণী বিভাগ যথা: Hutchinson, Engler and Prantl, Bessy, Eichler, Takhtajan, Hallier, Thorne, Takhtajan, Dahlgren, Cronquist প্রমুখ-এর বিবর্তন ভিত্তিক শ্রেণী বিভাগ হয়েছে, যা আমেরিকা, বৃট্রিশ ও জার্মানীর বিজ্ঞানীরা করেছেন।

ড. আব্দুল আহাদ তার প্রবন্ধে সর্বাধুনিক জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন ধরনের তথ্য দ্বারা তার সামান্য সংক্ষিপ্ত যুক্তিগুলো হলো- বিবর্তন বিজ্ঞানীরা কোন উদ্ভিদ হতে কোন উদ্ভিদ বিবর্তনের মাধ্যমে উৎপতি হয়েছে তা বিশ্বাস-এর উপর ভিত্তি করে বিবর্তন ভিত্তিক উদ্ভিদের শ্রেণীবিভাগ করেছেন। কারন বিবর্তনের প্রধান প্রমান জীবাশ্ম (fossil); যা উদ্ভিদের জীবাশ্মের অতি সামান্য পরিমানে পাওয়া যাওয়ায়, সেই জীবাশ্মের উরপ ভিত্তি করে উদ্ভিদের যে শ্রেণী বিভাগ করেছেন তা আদৌও জীবাশ্মের উপর ভিত্তি করে নয়। অর্থাৎ উদ্ভিদের বর্তমান শ্রেণী বিভাগ ভিত্তিক নেই। এছাড়া বিবর্তন বিজ্ঞানীরা বেনথাম ও হুকারের অ-বিবর্তন ভিত্তিক শ্রেণী বিভাগে পরিবার, বর্গ প্রভৃতির পূর্বে ও পরে বসিয়ে ও তাদের সংখ্যা বৃদ্ধি করে বা কমিয়ে বিশ্বাস উরপ ভিত্তি করে উদ্ভিদের বিবর্তন ভিত্তিক শ্রেণী বিভাগ করেছেন, যা আসলে আদৌও বিবর্তন ভিত্তিক শ্রেণী বিভাগ বলা যায় না।

প্রফেসর আহাদ যুক্তি দেখিয়েছেন যে, আল্লাহকে বিশ্বাস করা যেমন কোন বিজ্ঞান নয়, তেমন বিশ্বাসের উপর ভিত্তি করে উদ্ভিদের শ্রেণী বিভাগ করা তেমনি বিজ্ঞান নয় অর্থাৎ বিবর্তন ভিত্তিক শ্রেণী বিভাগ সঠিক নয়। এছাড়া বহু বিজ্ঞানীর তথ্য দিয়ে প্রমান করেছেন উদ্ভিদ ও প্রাণী এবং উদ্ভিদ জগতের ডারউইনের বিবর্তন ভিত্তিক শ্রেণীকরন নাই। এছাড়া ও প্রজাতির নামকরন ও অ-বিবর্তন বিজ্ঞানী ক্যারোলাস লিনিয়াস-এর পদ্ধতি পুরোদমে ব্যবহার হয়। বিবর্তন ভিত্তিক জীবের নামকরনের কোন পদ্ধতি পৃথিবীতে নাই। অথচ প্রজাতির নামকরন টেক্সনোমির বা শ্রেণীবিভাগরে অর্ধেক। আবার পরিবার, বর্গ প্রভৃতি ও অবিবর্তন বিজ্ঞানীদের আবিষ্কার। সুতরাং পৃথিবীতে উদ্ভিদ ও শ্রেণীবিভাগ যা পরিলক্ষিত তা অ-বিবর্তন ভিত্তিক।

ডারউইন একজন পাদ্রী ছিলেন:
ডারউইনের পিতা একজন চিকিৎসক ছিলেন। তাই তিনি ছেলে ডারউইনকে চিকিৎসক বানানোর উদ্দেশ্যে লন্ডনের এডিনবার্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে মেডিসিনে ভর্তি করান। কিন্তু ডারউইন কয়েকবার পরীক্ষায় ফেল করায় তার পিতা তাঁকে ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে খৃষ্ঠান ধর্মীয় কলেজে (Christ’s College) খৃষ্টান ধর্মশাস্ত্র /থিওলজীতে (Divinity/Theology) ভর্তি করেন এবং তিনি ঐ বিষয়ে সাধারন বি. এ. পাশ করেন। এরপর তাকে ইংলানেডর চার্চে প্রার্থার জন্য রাখা হয় (After graduation Darwin was brought up in the Church of England, and at one point was being trained to be an Anglican priest) অর্থাৎ তিনি একজন পাদ্রী ছিলেন।

প্রমান দেখার জন্য এখানে Click করুন।

Comments

comments