ড. আহাদের নতুন আবিষ্কার: আমেরিকার ৫ বিজ্ঞানীর ৫ থিওরী মূলত ১টি-ই থিওরী

হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি:

হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, দিনাজপুর-এর প্রফেসর ড. আব্দুল আহাদ-এর নতুন আবিষ্কার: আমেরিকার ৫ বিজ্ঞানীর  বিবর্তনের ৫টি থিওরী ১টি-ই থিওরী, অর্থাৎ এই ৫টি থিওরী মধ্যে কোন পার্থক্য নেই, এটা তার ১০তম আবিস্কার। প্রবন্ধের শিরোনামটি `Punctuated equilibrium theory represents shifting balance theory (of macro and quantum evolution) and invalid Darwin’s theory‘.   তার প্রবন্ধটি ভারতের “Journal of Entomology and Zoology Studies” Vol.5 no.3 pp.6-12/ 2017 সংখ্যায় প্রকাশিত হয়েছে।

বিবর্তনের সংক্ষিপ্ত রুপ:

মিথেন, এমোনিয়া, পানি, কার্বডাই-অক্সাইড → এককোষি জীব→ অমেরুদন্ডী প্রাণী →  ফুলকাযুক্ত মাছ →  উভচর প্রাণী (যেমন-ব্যাঙ) →  সরিসৃপ জাতীয় প্রাণী (যেমন- সাপ, ডায়নসর) → অমরাযুক্ত স্তন্যপায়ী প্রাণী →  উচ্চতর স্তন্যপায়ী প্রাণী  যেমন-সিমপাঞ্জী) →  মানুষ।

ড. আহাদ বিবর্তনের যে ৫ টি থিওরী ১টি থিওরী-ই প্রমাণ করেছেন তা হলো: 

i) Genetic drift & ii) Shifting balance theory (এ দুটি থিওরীর দেন শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর  Sewall Wright ১৯৩১ ও ১৯৩২ সালে)।
iii) Punctuated equilibrium theory (এ থিওরীর দেন আমেরিকার হাবার্ড বিশ্ববিদ্যালয় প্রফেসর Stephen J. Gould এবং ন্যাচারাল হিস্ট্রোরি মিউজিয়ামের প্রফেসর Niles Eldredge  ১৯৭২ ও ১৯৭৭ সালে)।
iv) Allopatric speciation theory (এ থিওরীর দেন আমেরিকার হাবার্ড বিশ্ববিদ্যালয় প্রফেসর Ernst Mayr, ১৯৬৩ সালে)।
v) Species selection   theory (এ থিওরীর দেন আমেরিকার হাওয়াই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর Steven M. Stanley, ১৯৭৫ সালে) ।

ড. আহাদ তার ১৫ পৃষ্ঠার প্রবন্ধের গুরুত্বপূর্ন যুক্তিগুলো:

১। এসব থিওরী ডারউইনের থিওরী ও নিও-ডারউইনের থিওরী বাতিল ঘোষনা করেছে।

২। এসব থিওরী যুক্তি দেয় যে, বিলুপ্তি জীব হতে বৃহত বিবর্তন বা ম্যাক্রো বিবর্তন (Macroevolution) ঘটে।

৩। এসব থিওরীর ম্যাক্রো বিবর্তনের মুল চাবিকাঠি (Key force) হলো Genetic drift ।

৪। এই সব থিওরী  যুক্তি দেয়  যে, ভূমিকম্প আগ্নেগিরি, অগ্নিউৎপাত সুনামি বা ব্যাপক আকৃতির বন্যায় জীব বিলুপ্তির ফলে ক্ষুদ জীব গোষ্টির পরিনত হয় (small and isolated population)। এছাড়া কিছু সংখ্যক জীব স্থানত্যাগ করে কোন দ্বিপে বসবাস করায় ক্ষুদ জীব গোষ্টির পরিনত হয়। এসব ক্ষুদ গোষ্টিতে ম্যাক্রো বিবর্তনের মাধ্যমে দ্রুত/হঠাৎ নতুন জীব প্রজাতি উৎপত্তি ঘটায়।  অন্য দিকে, ডারইউনের থিওরীর  মূল উপাদান হলো বৃহত জীব গোষ্টিতে, যা মিলিয়ন মিলিয়ন বছর প্রকৃতিক নির্বাচন (natural selection) প্রভাব বিস্তার করে ক্ষুদ্র বিবতর্নের (Gradual evolution) মাধ্যমে নতুন জীব প্রজাতির উৎপাদন ঘটায়।

৫। জীবাশ্মে হঠাৎ পরিবতর্নের (sudden change in fossil) ধারনার মাধ্যমে এসব থিওরী উৎপত্তি হয়েছে। তাদের মতে জীবাশ্মে ধীর পরিবর্তনের কোন চিহ্ণ বা প্রমাণ নাই।

৬। এসব থিওরী জীবের জেনেটিক গঠনে হঠাৎ পরিবর্তনের মাধ্যমে নতুন প্রজাতি, জেনাস, পরিবার, বর্গ উৎপাদন হয়। যেমন: ডাইনোসর হতে হঠাৎ পরিবর্তনের মাধ্যমে পাখির উৎপত্তি হয়েছে।

৭। তিনি আরো প্রমাণ করেছেন যে, কোন বিজ্ঞানী যদি প্রমাণ করতে পারে, Genetic drift বা Shifting balance theory কোন নতুন জীব উৎপত্তি ঘটায়তে সক্ষম নয় এবং জীবাশ্মে হঠাৎ পরিবর্তন নেই। তাহলে তিনি এই ৫ টি থিওরী ভুল প্রমাণ বাতিল করতে সক্ষম  হবেন।

ড. আহাদ তার প্রবন্ধটির সমাপণী টেনেছেন এভাবে (Conclusions)):

এই ৫ টি থিওরী মধ্যে কোন পার্থক্য নেই; Genetic drift এই সব থিওরী মুল চাবিকাঠি/ভিত্তি ।  (“Genetic drift represents the punctuated equilibrium theory shifting balance theory, allopatric speciation theory and species selection theory of macroevolution, quantum evolution”).

প্রবন্ধের শিরোনামের এই অংশটুকু copy করে  ‘Punctuated equilibrium theory represents —–“ Google search করলে বা এখানে Click করলে বা এখানে Click করলে প্রবন্ধটি ২নং সিরিয়ালে পাওয়া যাবে, বা এখানে Click করলে পাওয়া যাবে।

Comments

comments