জিল হোসেনের প্রাপ্য ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি বাকৃবি শিক্ষার্থীদের

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি:
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) ১৯৬৮-৬৯ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি হন জিল হোসেন। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় প্রসাশন অন্যায়ভাবে তাকে ডিগ্রী প্রদান করেনি বলে দাবি করেছেন তিনি। পরে তিনি আইনের সহযোগিতা নেন। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন পাল্টা আপিল করে। আদালতের রায় হলে দীর্ঘ ২৩ বছর পর ১৯৯৭ সালে তাকে গ্রাজুয়েশন ডিগ্রী দেওয়া হয়।

এরপর ক্ষতিপূরণ মামলা করলে আদালত তার ক্ষতিপূরণ হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে প্রায় ২ কোটি টাকা দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন পরবর্তীতে উচ্চ আদালতে আপিল করলে মামলাটি এখনও ঝুলে আছে। মামলা লড়তে গিয়ে তার নিজের ভিটে-মাটি সব বিক্রি করতে হয় বলে জানান তিনি।

সম্প্রতি বিষয়টি গণমাধ্যমে প্রচারিত হলে বিশ্ববিদ্যালয় জুড়ে নিন্দার ঝড় ওঠে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ তুলে মৌন মিছিল ও মানববন্ধন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগ এবং বিভিন্ন অনুষদীয় ছাত্র সমিতি।

আজ রবিবার (৮জুলাই) বিকাল তিনটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগ মিছিলটি বের করে। মিছিলটি বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে মানববন্ধনের মাধ্যমে শেষ হয়।

পরে বিকাল চারটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে আরেকটি মানববন্ধনের আয়োজন করে বিশ্ববিদ্যালয় অনুষদীয় ছাত্রসমিতি।

মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা আসন্ন অ্যালামনাই অনুষ্ঠানে জিল হোসেনের প্রাপ্য সম্মান ফিরিয়ে দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানায়।

Comments

comments