দ্বিতীয় মেয়াদে সিভাসুর উপাচার্য হলেন ড. গৌতম বুদ্ধ দাশ

সিভাসু প্রতিনিধি:
চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও অ্যানিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ের (সিভাসু) উপাচার্য হিসেবে দ্বিতীয় মেয়াদে নিয়োগ পেয়েছেন বর্তমান উপাচার্য প্রফেসর ড. গৌতম বুদ্ধ দাশ।

রাষ্ট্রপতি এবং চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও অ্যানিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ের (সিভাসু) আচার্য অ্যাডভোকেট আবদুল হামিদ বিশ্ববিদ্যালয়টির উপাচার্য পদে দ্বিতীয় মেয়াদে তাকে চার বছরের জন্য নিয়োগ দিয়েছেন।

উপাচার্য হিসেবে ৮ ডিসেম্বর বর্তমান মেয়াদ শেষে ৯ ডিসেম্বর থেকে দ্বিতীয় মেয়াদে সিভাসুর উপাচার্যের দায়িত্ব গ্রহণ করবেন তিনি।

নিয়োগ পাওয়ার পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় প্রফেসর ড. গৌতম বুদ্ধ দাশ বাংলানিউজকে বলেন, প্রথম মেয়াদে দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকে সিভাসুকে আন্তর্জাতিক মানের বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার লক্ষ্যে নিরলসভাবে কাজ করেছি। দ্বিতীয় মেয়াদেও সে চেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

এ সময় সিভাসুর উপাচার্য হিসেবে দ্বিতীয় মেয়াদে নিয়োগ দেওয়ার জন্য রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, শিক্ষামন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন তিনি।

সিভাসুর অ্যানিম্যাল সাইন্স অ্যান্ড নিউট্রিশন বিভাগের প্রফেসর ড. গৌতম বুদ্ধ দাশ ১৯৬৩ সালে চাঁদপুর শহরে জন্মগ্রহণ করেন।

তিনি বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৮৫ সালে বি.এসসি ইন অ্যানিম্যাল হাজবেন্ড্রি (অনার্স), ১৯৮৬ সালে এম.এসসি ইন পোল্ট্রি নিউট্রিশন, ২০০৮ সালে হিউম্যান রিসোর্চ ম্যানেজমেন্ট বিষয়ে পোস্ট গ্র্যাজুয়েশন এবং ২০১২ সালে পোল্ট্রি নিউট্রিশন বিষয়ে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন।

এছাড়াও ডেনমার্ক, লন্ডন, থাইল্যান্ড ও ভারত থেকে অ্যানিম্যাল সাইন্স ও পোল্ট্রি নিউট্রিশনে উচ্চতর প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছেন।

প্রফেসর ড. গৌতম বুদ্ধ দাশ ২০০০ সালে চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও অ্যানিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রফেসর পদে যোগদান করেন।

তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফুড সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি অনুষদের ডিন হিসেবে ২ বছর দায়িত্ব পালন করেন। অ্যানিম্যাল সাইন্স ও নিউট্রিশন বিভাগে ৯ বছর বিভাগীয় প্রধান হিসেবে নিয়োজিত ছিলেন। শিক্ষকতার পাশাপাশি তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ে সিন্ডিকেট, অ্যাকাডেমিক কাউন্সিল এবং ফিন্যান্স কমিটির সদস্য হিসেবে নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন।

দীর্ঘ ৩০ বছরের শিক্ষকতা জীবনে প্রফেসর ড. গৌতম বুদ্ধ দাশ বঙ্গবন্ধু কৃষিবিদ পরিষদের আজীবন সদস্য এবং চট্টগ্রাম অঞ্চলের কার্যকরী কমিটির সভাপতি ছিলেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের আওয়ামীপন্থী প্যানেল থেকে তিনি টানা চারবার শিক্ষক সমিতির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।

২০০৫ সালে বাংলা একাডেমি থেকে তার রচিত ‘পোল্ট্রি উৎপাদন’ শীর্ষক গ্রন্থটি প্রকাশিত হয়। এছাড়াও দেশ-বিদেশের বিভিন্ন জার্নালে তার ২৫টি বৈজ্ঞানিক গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে।

Comments

comments