উচ্চ শিক্ষার্থে সিকৃবি-তে নেপালের দশ শিক্ষার্থী

সৈয়দ জাহিদ হাসান, সিকৃবি:

উচ্চ শিক্ষার্থে সিকৃবি-তে নেপালের দশ শিক্ষার্থী ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক পর্যায়ে সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি অনুষদ ও ভেটেরিনারি, এনিমেল ও বায়োমেডিকেল সায়িন্স অনুষদে ভর্তি হয়েছে।

এর মধ্যে ২জন ছাত্র কৃষি অনুষদে এবং ২ জন ছাত্রী ও ৬ জন ছাত্র ভেটেরিনারি, এনিমেল ও বায়োমেডিকেল সায়িন্স অনুষদে ভর্তি হয়েছে। অনিল ভাট্টারায় ভানজো নামে কৃষি অনুষদে ভর্তি হওয়া এক নেপালী শিক্ষার্থী জানায়, সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় অনেক পূর্ব থেকেই তার পরিচিত।

এখানে ভাষাগত কোন সমস্যা হচ্ছে কিনা এমন প্রশ্ন করা হলে সে জানায়, এখানে তার ভাষাগত কোন সমস্যা হচ্ছে না। সব শিক্ষকই ইংরেজী মাধ্যমে ক্লাস নেন। এতে তাদের বুঝতে তেমন একটা সমস্যা হয় না। সে আরো জানায় সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে তাদের কোন আবাসন সমস্যা হচ্ছে না এবং সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আবাসিক হলেই তাদের থাকার ব্যাবস্থা করেছে। এর মাঝে ২ জন ছাত্রী বর্তমানে অতিথী ভবনে রয়েছে বলেও জানায় সে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক পরিস্থিতি ও পরিবেশ সম্পর্কে জানতে চাইলে সে জানায়, এখানকার পরিবেশ তার ভালোই লাগছে, সিলেটের ভৌগোলিক পরিবেশ ও নেপালের ভৌগোলিক পরিবেশ তার কাছে একই রকম মনে হয়েছে যার কারনে এখানে তাদের কোন সমস্যা হচ্ছে না।

এব্যাপারে সিকৃবি প্রক্টর প্রফেসর ড. মৃত্ত্যুঞ্জয় কুন্ডা জানান, ‘বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার জন্য বড় পরিসরের একটি যায়গা। সেখানে বিভিন্ন দেশ থেকে শিক্ষার্থীরা এসে পড়াশুনা করবে এটিই স্বাভাবিক। তিনি নেপাল থেকে আগত শিক্ষার্থীদের সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বাগত জানিয়ে বলেন, আমরা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগীতা করছি। ভবিষ্যতেও যাতে নেপাল থেকে সহজে শিক্ষার্থীবৃন্দ এখানে আসতে পারে এবং কোন রকম প্রতীকূলতা না থাকে সে ব্যপারে কাজ করছি।’

উল্লেখ্য, এর আগেও সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে নেপাল থেকে আগত শিক্ষার্থী অধ্যয়নরত ছিল। দেশি ও বিদেশী শিক্ষার্থীদের পদাচারণার মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গন সবসময় মুখরিত থাকবে এমনই মনে করছেন অন্যান্য শিক্ষার্থীবৃন্দ।

Comments

comments