গম ও ভুট্টার নতুন জাত উদ্ভাবন ও চাষে মনযোগী হতে হবে : কৃষিমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক:

নিয়মিত খাদ্যাভাসে গম ও ভুট্টার প্রয়োজন বাড়ছে। তাই এসব শস্যের নতুন জাত উদ্ভাবন ও চাষের প্রতি জোর দিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক।

তিনি বলেন, আমাদের দেশের জলবায়ু ও আবহাওয়া ভুট্টা চষের জন্য উপযোগী। দেরিতে হলেও আমাদের দেশে ভুট্টা আবাদের এলাকা ও উৎপাদন দিনে দিনে বাড়ছে। আবহাওয়া ও জলবায়ুর কারণে আমাদের গম উৎপাদন দিনে দিনে কমছে। আমাদের ভুট্টা উৎপাদন আরও বাড়াতে হবে, কারণ এখন আমাদের ৩০ লাখ মেট্রিক টন ভুট্টা আমদানি করতে হয়।

রোববার সচিবালয়ে নিজে কার্যালয়ে কৃষিমন্ত্রীর সঙ্গে আন্তর্জাতিক গম ও ভুট্টা উন্নয়ন কেন্দ্রের (সিমিট) প্রতিনিধিদল সৌজন্য সাক্ষাতে এলে মন্ত্রী এ কথা বলেন।

এ সময় তিনি গম ও ভুট্টা চাষে সংস্থাটির কাছে সহযোগিতাও চান। প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন সিমিটের মহাপরিচালক ডক্টর মার্টিন ক্রফ।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, খাদ্যাভাস পরিবর্তনের সঙ্গে ভাতের ওপর নির্ভর কমছে, ফাস্ট ফুড জাতীয় খাবার গ্রহণের মাত্রা বাড়ছে। এ কারণে আবহাওয়া উপযোগী গম ও ভুট্টা চাষে আমাদের আরো মনযোগী হতে হবে।

তিনি বলেন, আমাদের বর্তমানে খাদ্য হিসেবে ভাতের ওপর নির্ভরতা কমে যাচ্ছে। গম এবং ভুট্টাজাত খাবার ফাস্টফুড হিসেব গ্রহণ করছে। ফলে গম-ভুট্টার নতুন নতুন জাত উদ্ভাবন করতে হবে।

এ সময় মন্ত্রী খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণের ইন্ডাস্ট্রিজ স্থাপন ও কৃষিতে বিনিয়োগ বাড়াতে সিমিটের সহায়তা চান।

মন্ত্রী আরো বলেন, দেশের পোলট্রি ও মাছের খামারে এই পুষ্টিমাণ সম্পন্ন ভুট্টার বেশ চাহিদা রয়েছে। এছাড়া ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার খাদ্য ও পুষ্টি চাহিদা পূরণে ভুট্টার গুরুত্ব অপরিসীম। আমাদের কৃষি বিজ্ঞানীদের প্রশিক্ষণ দেওয়া ও দেশের আবহাওয়া উপযোগী স্বল্প সময়ের গম ও ভুট্টার জাত উদ্ভাবন করে আগামী দিনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে খাদ্য উৎপাদন বাড়াতে সিমিটের সঙ্গে একত্রে কাজ করতে চায় বাংলাদেশ।

Comments

comments