কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার সংস্কার ও প্রতিদিন খোলা রাখার দাবিতে বাকৃবি সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের মানববন্ধন

বাকৃবি প্রতিনিধি:

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার সপ্তাহে ৭ দিন খোলা রাখা, কেন্দ্রীয় এসি চালু করা, অটোমেশন পদ্ধতি চালু করা, আসন সংখ্যা ও ফ্যান সংখ্যা বৃদ্ধি জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্ট। এসব দাবিতে গতকাল রবিবার দুপুর ১ টার দিকে কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার ভবনের সামনে একটি মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন তারা। কর্মসূচিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন মাইক ব্যবহার করার অনুমতি না দেওয়ায় ক্ষোভ ও তীব্র নিন্দা জ্ঞাপন করেছেন সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট বাকৃবি শাখার সাধারণ সম্পাদক প্রেমানন্দ দাসের সঞ্চালনায় মানববন্ধন কর্মসূচির সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি গৌতম কর। মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সহ-সভাপতি সৌরভ সিংহ এবং সাংগঠনিক সম্পাদক পৃথ্বীরাজ দাস।

বক্তারা বলেন, জ্ঞান তৈরীর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ স্থান এই গ্রন্থাগার। শিক্ষার্থীদের হলগুলোতে তীব্র আবাসন সংকট থাকায় সেখানে পড়ার কোনো পরিবেশ নেই। তাদের একমাত্র ভরসা কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার। কিন্তু এই গ্রন্থাগারের বেহাল দশা। বিগত কয়েক বছর যাবত এসি নষ্ট হয়ে আছে, অথচ ঠিক করা হচ্ছে না। পর্যাপ্ত ফ্যানের ব্যবস্থা না থাকায় গরমের দিনে সেখানে পড়ালেখা করা যায় না। সেখানে নেই পর্যাপ্ত বসার ব্যবস্থা। এমনকি পর্যাপ্ত বইয়ের ব্যবস্থাও নেই। কোনো বইয়ের হয়তো দ্বিতীয় কোনো কপিও খুঁজে পাওয়া যাবে না। নির্দিষ্ট ক্যাটালগ না থাকায় কোন বই কোথায় আছে তা খুঁজে বের করাও অনেকটা চ্যালেঞ্জের মতো।

বক্তারা অবিলম্বে কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার সংস্কার করে পর্যাপ্ত সীট, বই, ফ্যানের সংখ্যা বৃদ্ধি করা, অটোমেশন পদ্ধতি চালু করে ডিজিটাল ক্যাটালগ করা এবং প্রতিদিন গ্রন্থাগার খোলা রাখার দাবি জানান।

এদিকে মানববন্ধন কর্মসূচিতে মাইক ব্যবহার করার অনুমতি না দেওয়ায় প্রশাসনের অসহযোগী মনোভাবের তীব্র নিন্দা জ্ঞাপন করেছেন সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত লাইব্রেরিয়ান ড. মো. এনামুল হক বলেন, এসি মেরামতের কাজ চলছে। এ সপ্তাহের মধ্যেই সচল করা সম্ভব হবে। আর অটোমেশন পদ্ধতি চালুর ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সাথে কথা হয়েছে।

Comments

comments