আম রপ্তানিতে পিছিয়ে বাংলাদেশ

নিউজ ডেস্কঃ

ইউরোপ ও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে আমের চাহিদা থাকার পরও কমেছে বাংলাদেশ থেকে আম রপ্তানি। বিশেষজ্ঞদের মতে, আম রপ্তানিতে কার্গো বিমানের সুবিধা না থাকায় ভরসা যাত্রীবাহী বিমান। ফলে ভারত ও পাকিস্তানের চেয়ে বাংলাদেশকে কেজিতে প্রায় ৬০ টাকা অতিরিক্ত গুণতে হয়। তাই তাদের সাথে প্রতিযোগিতায় টিকতে পারছে না বাংলাদেশ। আম বাংলাদেশের নিজস্ব ফল। আর ফলের রাজা বলা হয় আমকে।শুধু স্বাদেগুণে নয় অর্থনীতিতেও আম রাখছে বিশেষ অবদান। কেননা দেশীয় চাহিদা মিটিয়ে এখন ইউরোপ আর মধ্যপ্রাচ্যের ভোক্তার প্রিয় ফলে পরিনত হয়েছে আম।

কিন্তু হঠাৎ করে কমে গেছে আমের রপ্তানী। সাতক্ষীরার আম দিয়ে দেশের রপ্তানী শুরু হলেও এবার ভিন্ন চিত্র। চুক্তিবদ্ধ চাষীরা জানান, ঘূর্ণীঝড় ফণীর তান্ডবে কমেছে আমের উৎপাদন। রপ্তানী হলে বর্তমান মুল্যের চেয়ে বেশি দাম পেতেন বলে দাবি তাদের।

রপ্তানীকারকরা জানান, ভারত ও পাকিস্তানের তুলনায় বাংলাদেশ থেকে বিদেশে আম পরিবহন ব্যয় অনেক বেশি। ফলে প্রতিযোগিতায় ছিটকে পরছেন তারা।

সাপ্লাই চেইন বিশেষজ্ঞ কৃষিবিদ মোহাম্মদ মজিবুল হক জানান, শুধু পরিবহন ব্যয় নয়, ঘুর্ণীঝড় ফণীর আঘাতে আমে দেখা দিয়েছে কালোদাগ। এজন্য রপ্তানী উপোযোগী আমের জাতের বাণিজ্যিক চাষকে গুরুত্ব দিতে হবে। তবে সরকার আমের রপ্তানী বাড়াতে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে বলে জানান তিনি।
কৃষিমন্ত্রণালয়ের তথ্য থেকে জানা যায়, গত বছর (২০১৮ সাল) আমের রপ্তানী ছিল মোট ৭৬০ টন। এবছর মৌসুম শেষ পর্যায়ে হলেও রপ্তানী হয়েছে মাত্র ১৬১ টন।

(Visited 1 times, 1 visits today)