গ্রন্থাগার আধুনিকায়ন ও প্রতিদিন খোলা রাখার দাবিতে বাকৃবি ছাত্র ফ্রন্টের স্মারকলিপি প্রদান

মো. আরিফুল ইসলাম, বাকৃবি:

বিশ্ববিদ্যালয়ের রুটিন ক্লাসের পর গ্রন্থাগারে এসে পড়ালেখা করা অনেক ক্ষেত্রেই সম্ভব হয়না। এদিকে সাপ্তাহিক বন্ধের দুইদিনও বন্ধ থাকে গ্রন্থাগার। সেক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের পড়ার কোনো নির্দিষ্ট স্থান থাকেনা। সকল হলে রিডিং রুমের ব্যবস্থা নেই, গণরুমেও পড়ালেখা করার সমস্যার কারণে অনেকে টিএসসিতে বসে পড়াশুনা করেন। তাই শিক্ষার্থীদের জ্ঞান অর্জন ও জ্ঞান সৃষ্টির স্বার্থেই সপ্তাহে সাতদিনই বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার খোলা রাখার দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি) শাখা সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট। এ দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ে সহযোগী ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা বরাবর ১৫০০ শিক্ষার্থীর সাক্ষর সম্বলিত একটি স্মারকলিপি পেশ করেছে ছাত্র ফ্রন্ট। গতকাল রবিবার দুপুর ১ টায় তারা মিছিল ও সমাবেশ শেষে স্বারকলিপি প্রদান করেন।

জানা যায়, দুপুর ১ টায় দাবি আদায়ের লক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি থেকে একটি মিছিল শুরু করেন ছাত্র ফ্রন্টের নেতাকর্মীরা। মিছিলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে উপাচার্যের কার্যালয়ের সামনে এসে শেষ হয়। মিছিল পরবর্তী সমাবেশে সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক প্রেমানন্দ দাসের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সভাপতি গৌতম কর।

সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট কেন্দ্রীয় এসি অতি দ্রুত সচল করার দাবিতে কয়েক দফায় মিছিল করেন। সর্বশেষ মানববন্ধন করেন তারা। ফলে গত ২০ মে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কেন্দ্রীয় এসি সচল করেছেন। সমাবেশ থেকে প্রশাসনের এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানান নেতাকর্মীরা। কিন্তু সেই সাথে গ্রন্থাগারের আসন সংখ্যা, বইয়ের সংখ্যা বৃদ্ধি করা, বই খোঁজার ডিজিটাল অটোমেশন পদ্ধতি চালু করা এবং সপ্তাহে সাতদিন কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার খোলা রাখার দাবি জানান তারা।

সমাবেশ শেষে সংগঠনের নেতাকর্মীরা সহযোগী ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা ড. মো. মোক্তার হোসেইন বরাবর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের প্রায় ১৫০০ সাক্ষর সম্বলিত একটি স্মারকলিপি পেশ করেন এবং অবিলম্বে লাইব্রেরি সমস্যা সমাধানের দাবি জানান। এ বিষয়ে আগামী ৩ জুলাই বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির সাথে সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট একটি বৈঠকে বসবেন বলে আশ্বাস দেন সহযোগী ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা।

Comments

comments