বাকৃবিতে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও এসডিজি বাস্তবায়ন বিষয়ক মত বিনিময় সভা

বাকৃবি প্রতিনিধি:

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) বর্জ্য ব্যবস্থাপনা শীর্ষক সেমিনার ও টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) বাস্তবায়নে করণীয় বিষয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (৭ সেপ্টেম্বর)দুপুর ২ টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সৈয়দ নজরুল ইসলাম সম্মেলন ভবনে ওই মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়।

বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন মৃত্তিকা বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম। এসময় তিনি বলেন পৃথিবিতে প্রত্যেকটি উপাদানের বর্জ্য তৈরি হয়। আমরা যে খাবার খায় তার অবশিষ্ট অংশ বর্জ্য হিসেবে শরীর থেকে বের হয়, তেমনি সকল প্রাণিই তাদের বর্জ্য নিষ্কাশন করে। আমরা যে বিভিন্ন বোতলজাত দ্রব্য ব্যবহার করি তার বোতল বর্জ্য হিসেবে বিভিন্ন জায়গায় ফেলি। আবার আমরা যে খাতায় লিখি তার ব্যবহৃত অংশও বর্জ্য হিসেবে ফেলা হয়। এই সকল বর্জ্য যেখানে সেখানে না ফেলে একটা নির্দিষ্ট জায়গায় ফেলা উচিত। বর্জ্য ব্যপস্থাপনার মাধ্যমে বর্জ্যকে পুনরায় ব্যবহার উপযোগী করে ব্যবহার করলে বর্জ্যর পরিমাণ তেমন বৃদ্ধি পাবে না। বর্জ্যর পরিমাণ যদি নিয়ন্ত্রণ না করা যায় তাহলে পরিবেশ দূষণ বৃদ্ধি পাবে। যার ফলে বিভিন্ন নতুন নতুন রোগের উপদ্রবও বেড়ে যাবে। তাই সঠিক প্রক্রিয়ায় বর্জ্য ব্যবস্থাপনা জরুরি হয়ে পড়েছে।

অনুষ্ঠানে উপাচার্য অধ্যাপক ড. লুৎফুল হাসানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মূখ্য সমন্বয়ক (এসডিজি) মো. আবুল কালাম আজাদ। গেস্ট অব অনার হিসেবে উপস্থিত পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রালয়ের অতিরিক্ত সচিব ছিলেন মাহমুদ হাসান । বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাকৃবির উপ-উপাচার্য ড. মো. জসিমউদ্দিন খান, ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ইকরামুল হক টিটু এবং ময়মনসিংহ এনডিসির বিভাগীয় কমিশনার খোন্দকার মোস্তাফিজুর রহমান। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারি উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মো. আবুল কালাম আজাদ বলেল, সকলের সুষম ও স্থায়ী সমৃদ্ধির এসডিজি কাজ করছে। তিনি বলেন সরকার যে এসডিজি উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা ২০৩০ হাতে নিয়েছেন তাতে বলা হয়েছে সকল শ্রেণীর মানুষকে সাথে নিয়ে উন্নয়নের দিকে অগ্রসর হতে হবে। সমন্বিত উন্নয়নের লক্ষ্যে এসডিজি বাস্তবায়নে ১৭ টি ধাপ ১৬৯ টি টার্গেট ও ২৩২ টি নির্দেশক গ্রহন করা হয়েছে। এসময় তিনি বলেন সরকার ১৬৯ টি টার্গেট নিয়ে কাজ শুরু করেছে। যা বাস্তবায়ন হলে বাংলাদেশ বিশ^ কাতারে উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে পরিচিতি পাবে।

Comments

comments