বাকৃবি ভিসি’র ‘বাউ-৩’ ধানের গবেষণা সাফল্য ও নাগরিক আশাবাদ

মোঃ রওশন জামাল জুয়েল:
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যায়ের মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. লুৎফুল হাসান ধানের উচ্চ ফলনশীল ও রোগ প্রতিরোধী জাত আবিস্কার করে আগামির খাদ্য নিরাপত্তায় নতুন আশার সঞ্চার করেছেন। তাঁর এই গবেষণা সফলতা শিক্ষক-গবেষকদের মধ্যে নতুন উৎসাহ-উদ্দীপনা সৃষ্টি করেছে, নাগরিক সমাজে সৃষ্টি করেছে নতুন আশাবাদ।

‘বাউ-৩’ নামের নেক-ব্লাস্ট ও লিফ ব্লাইট প্রতিরোধী উচ্চফলনশীল বোরো ধানের এই জাতটি কৃষকরা কতটুকু গ্রহণ করবে, বাংলাদেশের আগামির খাদ্য নিরাপত্তায় কতটুকু অবদান রাখবে সেটার মূল্যায়ন কিছুটা সময়সাপেক্ষ হলেও উচ্চশিক্ষা, গবেষণা, শিক্ষক রাজনীতি, নিয়োগ-পদোন্নতি ও ভিসি ইস্যু নিয়ে সাম্প্রতিক নাজুক প্রেক্ষাপটে বাকৃবি ভিসি’র এই গবেষণা সফলতা বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। নানামুখি কারনে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার অনিশ্চিত ভবিষ্যত নিয়ে উৎকন্ঠিত জাতি একটু আশাবাদি হয়েছে এই ভেবে যে ড. লুৎফুল হাসান স্যারের মত সফল গবেষক, স্বপ্নদ্রষ্টা শিক্ষক ও দূরদর্শি শিক্ষাবিদ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর নেতৃত্ব দিবেন।

নানা রঙয়ের সাঁড়াজাগানো ইস্যুর ভিড়ে সুশীল পল্লী ও মিডিয়া জগতে হয়তো তেমন সাড়া পড়েনি বাকৃবি ভিসি’র ধানের জাত আবিস্কারের খবরে। ফেসবুকে ভাইরাল হওয়ার মত খবরও হয়তো এটা না। ধানের একটা জাত আবিস্কারের বিষয় হয়তো আমজনতা, সুশীল সমাজ, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীদের জন্য তেমন কোন ব্রেকিং নিউজ নয়। কিন্তু জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবেলা করে ক্রমবর্ধমান ভেতো বাঙ্গালীর আগামির ডাল-ভাতের নিরাপত্তা নিয়ে যারা ভাবেন তাদের কাছে এটা একটি গ্রাউন্ড ব্রেকিং আবিস্কার, অনেক বড় সুখবর।

ষাটের দশকে ড. নরম্যান বোরলগের গমের একটা জাতই বদলে দিয়েছিলো তৎকালীন ক্ষুধার্ত বিশ্বের খাদ্য নিরাপত্তার চিত্র। বিশ্ব থেকে ক্ষুধার জ্বালা দুর করার জন্য তিনি ১৯৭০ নোবেল শান্তি পুরস্কারও পেয়েছিলেন। পেয়ারার একটা কাঙ্খিত জাত বদলে দিতে পারে একটা জাতির পুষ্টি নিরাপত্তার চিত্র-এর সাক্ষীতো আমরাই। ধানের জাত আবিস্কার কলম্বাসের আমেরিকা আবিস্কার অথবা কোন মোবাইল এ্যাপস্ তৈরীর মত বিষয় নয়। অনেক সৃজনশীলতা, দক্ষতা, শ্রম ও ধৈর্য জড়িয়ে এর সাথে।

কৌলিতাত্ত্বিক, কৃষিতাত্ত্বিক, মৃত্তিকাজনিত, আবহাওয়াজনিত, রোগতাত্ত্বিক, আর্থ-সামাজিক, ভোক্তা উপযোগিতা, বাজার সম্ভাবনা, লাভ-ক্ষতিসহ নানামুখি বিষয়ের পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও মাল্টিলোকেশন ট্রায়ালের পর জাতীয় বীজ বোর্ডে উপস্থাপিত হয় একটি নতুন জাত। অনেক পরীক্ষা-ট্রায়াল ও বিশ্লেষণের পর জাত হিসাবে অবমুক্ত হয়। এর পর সম্প্রসারণ কার্যক্রমের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে কৃষকের জমিতে। পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে ৬-১২ বছর সময় লেগে যায়।

ড. লুৎফুল হাসান স্যার আন্তর্জাতিক ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট থেকে কৌলিক সারি নিয়েছেন, গবেষণায় আর্থিক ও লজিস্টিক সহযোগিতা করেছে এসিআই লিঃ, টেকনিকাল ও ফিল্ড ট্রায়াল করতে সহায়তা করেছে ব্রি, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর। জাত হিসাবে নিবন্ধন দিয়েছে জাতীয় বীজ বোর্ড। এটাই রিসার্স কলাবোরেশন, পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশীপ। এটাই উন্নয়নের ব্যাকরণ। ধানের জাতটি শুধু উচ্চ ফলণশীলই নয় এটি মারাত্বক দু’টি ছত্রাকজনিত রোগ প্রতিরোধী। বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধির সাথে সাথে সারা দুনিয়াতেই ছত্রাক জনিত রোগ আগামির খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হিসাবে দেখা দিয়েছে।

১৯৪৫-৪৯ সালে আয়ারল্যান্ডের দুর্ভিক্ষের পিছনে প্রধান কারন ছিলো আলুর ছত্রাক জনিত রোগ ‘লেইট ব্লাইট’। এই দুর্ভিক্ষে মারা গিয়েছিলো ১০ লাখ মানুষ, দেশান্তরিত হয়েছিলো আরও ১০ লাখ। তেতাল্লিশের মন্নন্তর ও ১৯৭৪ দুর্ভিক্ষের অন্যতম কারণ ছিলো ধানের ছত্রাকজনিত রোগ। সাম্প্রতিক কালে বাংলাদেশে ‘নেক ব্লাস্ট’ ধান চাষীর নতুন দুশ্চিন্তার কারন হয়েছে কারন নেক ব্লাস্ট রোগটি হয় পরিপক্ক পর্যায়ে ধানের শীষে। একেবারে ‘পাকা ধানে মই’।

বদলে যাওয়া জলবায়ু, জটিল ভু-রাজনীতি, বৈশ্বিক ট্রেড ওয়ার, ও বিশ্বায়নের যুগে সভ্যতার সংকট ও খাদ্য নিরাপত্তার চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় প্রযুক্তিই সবচেয়ে বড় অস্ত্র। লাগসই প্রযুক্তির জন্য প্রয়োজন মানসম্মত গবেষণা। আর এই গবেষণার নেতৃত্ব বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানিত শিক্ষক-গবেষকদেরইদিতে হবে। ড. লুৎফুল হাসান স্যারের গবেষণায় এসিআই লিঃ এর সহায়তার বিষয়টি অনেক আশাব্যাঞ্জক। সারা বিশ্বে গবেষণায় অনুদান দেওয়াকে অনেক মহৎ কাজ হিসাবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।

পঞ্চাশের দশকে রকফেলর ফাউন্ডেশন গবেষণা সহায়তা না করলে ষাটের দশকে ‘সবুজ বিপ্লব’হতো না। ফোর্ড ফাউন্ডেশন, বিল ও মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশন, চ্যান-জুকারবাগ ইনিশিয়েটিভ, মাইকেল জে ফক্স ফাউন্ডেশন, সিমোনস ফাউন্ডেশনসহ অনেক প্রতিষ্ঠান শত শত বিলিয়ন ডলার খরচ করছে চিকিৎসা, পরিবেশ ও আগামীর খাদ্যা নিরাপত্তার গবেষণা কার্যক্রমে। কর্পোরেট জায়ান্টরা বিলিয়ন ডলার খরচ করছে গবেষণা ও উন্নয়নে। বাংলাদেশেও ব্র্যাক, এসিআই লিঃ, লালতীর, ইস্পাহানী এগ্রোসহ অনেক বেসরকারী প্রতিষ্ঠান কৃষি গবেষণা ও উন্নয়ন নিয়ে স্বল্প পরিসরে কাজ করছে। ইউরোপের অনেক দেশেই‘ইন্ডাস্ট্রিয়াল পিএইচডি’র আওতায় মিলিয়ন ডলার ব্যয় করা হচ্ছে গবেষণায়।

আমাদের দেশের অনেক দেশ প্রেমিক, চেতনাপ্রেমিকদের মিলিয়ন মিলিয়ন ডলার গড়াগড়ি খাচ্ছে বিদেশের ব্যাংকে, ক্যাসিনোর আসরে- আর ফান্ডের জন্য এগুতে পারছেনা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের গবেষণা প্রকল্প। আসলে বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণার ফান্ড ও পরিবেশ নিশ্চিত করতে পারলে, শিক্ষকদের মোটিভেশন, মর্যাদা ও স্বীকৃতির বিষয়টি সমুন্নত করতে পারলে বাংলাদেশের শিক্ষক-গবেষক হতে পারেন মাল্টি বিলিয়ন ডলার মুল্যের মানব সম্পদ। দেশের সবচেয়ে মেধাবী এই পেশাজীবির মেধা, সৃজনশীলতা ও ইনোভেশন কাজে না লাগাতে পারলে ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত বিশ্বের কাতারে যাওয়ার স্বপ্ন অধরাই থেকে যাবে।

৩৫-৪০ বছরের শিক্ষকতা জীবনে গবেষণার মাধ্যমে একজন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক যা করতে পারে অনেক পেশাতেই তা সম্ভব নয়। সারা বিশ্বে বিশ্ববিদ্যালই গবেষণার প্রধান জায়গা। সাঁড়া জাগানো প্রযুক্তি, গ্রাউন্ড ব্রেকিং থিওরী-মতবাদ সবই জন্ম নেয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ল্যাবরেটরিতে। ল্যাবরেটরিরঅন্ধকার প্রকষ্ট আর বিজন গবেষণা মাঠ থেকেই যুগে যুগে জন্ম নিয়েছে কালজয়ী প্রযুক্তি, গ্রাউন্ড ব্রেকিং থিওরী, ফসলের জাত ও জীবন রক্ষাকারী ঔষধ।

নিউটন, হকিন্স, আইনস্টাইন থেকে শুরু করে সদ্য নোবেল বিজয়ী জন পিবল, মাইকেল মেয়র, ড. অভিজিৎ- সবাই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক। এ পর্যন্ত ৯২৩ জন নোবেল বিজয়ীর অধিকাংশই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-গবেষক অথবা অ্যালামনাই। জন পিবল পদার্থ বিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন ৯৭ বছর বয়সে। শিক্ষক-গবেষকের কোন ক্লান্তি নেই, কোন রিটায়ারমেন্ট নেই, তারা ওয়ারেন্ট অব প্রেসিডেন্স অথবা গ্রেড হিসাব করে গবেষণা করে না।

ড. লুৎফুল হাসান স্যারের মত সফল গবেষকরা যাতে চাকুরী থেকে অবসর নিলেও গবেষণার একটা প্লাটফর্ম ও সাপোর্ট পায় সে বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে সরকারের সাথে কর্পোরেট জগৎকেওএগিয়ে আসতে হবে। সীমিত সুযোগ-সহযোগিতা সত্ত্বেও বাংলাদেশের স্বপ্নবাজ অনেক গবেষক বিশ্বমানের সফলতা দেখিয়ে চলেছেন।

বিদেশের বিশ্ববিদ্যালয়েও আমাদের শিক্ষক-গবেষকরা বিশ্বমানের গবেষণা করছেন, সফল হচ্ছেন। বাংলাদেশে গবেষণার বৈরী পরিবেশেও একজন প্রফেসর ড. গোলাম আলী ফকির, একজন প্রফেসর ড. জামাল নজরুল ইসলাম, একজন প্রফেসর ড. আইনুন নিশাত, একজন প্রফেসর ড. আব্দুর রহিম, একজন প্রফেসর ড. মঞ্জুর হোসেন, একজন প্রফেসর ড. লুৎফুল হাসান স্যাররা যে অমুল্য অবদান ‘‘বডি অব নলেজ’ এবং আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে রেখে গেলেন তা আমাদের চরম আশাবাদি করে। স্যালুট ও শ্রদ্ধা আপনাদের।

আমরা এখনও স্বপ্ন দেখি আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে বিশ্বমানের গবেষণা হবে, বৈশ্বিক ‘ইন্টেলেকচুয়াল ডোমেইনে’ বাংলাদেশের অবস্থান আরও উজ্জল, আরও সুসংহত হবে। বাংলাদেশের প্রফেসর-গবেষক নোবেল লরিয়েট হবেন, বুকার পুরস্কার জিতবেন, পুলিৎজার পুরস্কারের জন্য মনোনিত হবেন, বিশ্ব খাদ্য পুরস্কার অর্জন করবেন। এদেশের গবেষকরা সারা বিশ্ব মাতিয়ে বেড়াবেন জ্ঞান, গবেষণা ও ইনোভেশন নিয়ে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলো হবে জ্ঞান চর্চা ও গবেষণার এক একটি ‘সেন্টার অব এক্সেলেন্স’।কর্পোরেট সোসাল রেস্পন্সিবিলিটির টাকা দিয়ে গড়ে উঠবে গবেষণা ফান্ড।

বাংলাদেশেও গড়ে উঠবে বিশ্বমানের ল্যাবরেটরী, গবেষনা ইনস্টিটিউট। ড. লুৎফুল হাসান স্যারের মত স্বপ্নবাজ গবেষক সকল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হয়ে উচ্চ শিক্ষা ও গবেষণায় উম্মোচন করবে নতুন দিগন্ত, নতুন যুগ। বিগ ডাটা, বিগ অপরটুনিটি, আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স, মলিকিউলার ইঞ্জিনিয়ারিং ও প্রেসিশন এগ্রিকালচারের এই প্রযুক্তি নির্ভর যুগে টিকে থাকতে হলে শিক্ষা ও গবেষণাকে অগ্রাধিকার দিতেই হবে। জ্ঞানভিত্তিক গ্লোবাল সিস্টেমে দলবাজী, রংবাজী দিয়ে খুব একটা এগুনো যাবেনা, শুধুই ছিটকে পড়তে হবে ক্যারিয়ারের কক্ষপথ থেকে, উন্নয়নের মহাসড়ক থেকে। আমরা আশাবাদি সেদিন হয়তো বেশী দুরে নেই যেদিন ভিসি নিয়োগ বিদেশের বিশ্ববিদ্যালয়ের মত উম্মুক্ত প্রতিযোগিতার মাধ্যমে হবে; গবেষণা, প্রকাশনা, ভিশন ও দক্ষতার উপর ভিত্তি করে তৈরী হবে ভিসি প্যানেল। শিক্ষকদের পদোন্নতি হবে সারা বিশ্বের বিশ্ববিদ্যালয়ের মত গবেষণা উৎকর্ষতা ও রিসার্স প্রোফাইল দিয়ে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের এক একজন শিক্ষক হয়ে উঠবেন এক একটি প্রতিষ্ঠান, চেঞ্জ মেকার ও আগামির স্বপ্নকারিগর। তরুণ শিক্ষকরা ‘লাল-নীল-সাদা’র শিকল ভেঙ্গে দীপ্ত পদে ছুটবেন রিসার্স-গেট স্কোর, গুগল সাইটেশন, এইস ইনডেক্স এর পিছনে। ফোর জি স্পিডে দৌড়ানো প্রযুক্তির পৃথিবীতে উচ্চ শিক্ষা ও গবেষণা নিয়ে স্বার্থন্বেষী মহলের এ্যানালগ চিন্তা টিকবেনা যুগের হাওয়ায়। রিসার্স ও নলেজ শেয়ারিং এর যুগে শিক্ষক-গবেষকের প্রোফাইল দেখে হাতছানি দিয়ে ডাকবে হাজারো সম্ভাবনা। শিক্ষক-গবেষকের হাত ধরে এগিয়ে যাবে দেশ, এগুবে অর্থনীতি-মর্যাদা। শিক্ষকের মর্যাদা হবে বিশ্বজনিন। দেশপ্রেমিকের তকমা লাগানোর জন্য মিছিলে ময়দানে যেতে হবেনা, গবেষনা সফলতাই বিশ্বপ্রেমিক স্বীকৃতি দিবে একজন শিক্ষক-গবেষককে। এজন্য প্রতিটা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রফেসর ড. লুৎফুল হাসান স্যারের মত একজন স্বপ্নবাজ ও গবেষণা পাগল ভাইস-চ্যান্সেলর বড়ই প্রয়োজন। উচ্চশিক্ষা ও গবেষণায় বড় একটা‘ব্রেক-থ্রো’ আজ সময়ের দাবী।

___________________________
মোঃ রওশন জামাল জুয়েল
পিএইচডি ফেলো, ইউনিভার্সিটি অব নিউ ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া
ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা।
ই-মেইল: mjamal2@myune.edu.au

(Visited 3 times, 1 visits today)