বাকৃবিতে ‘প্রাণির গর্ভাবস্থা নির্ণয়ে আলট্রাসনোগ্রাফি’ শীর্ষক প্রশিক্ষণ কর্মশালা

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি:
প্রাণির গর্ভাবস্থায় প্রজননতন্ত্রের সার্বিক অবস্থা এবং রোগ নির্ণয়ে এক্স-রে, এমআরআই, সিটিস্ক্যানসহ বিভিন্ন আধুনিক যন্ত্র এবং পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। তবে এসব যন্ত্রে তেজস্ক্রিয় রশ্মির ব্যবহার থাকায় গবাদিপশুর ভ্রুণ বা বাচ্চার ক্ষতি হয়। কিন্তু আলট্রাসনোগ্রাফিতে নিরাপদ শব্দ তরঙ্গ ব্যবহার করা হয় যা সবচেয়ে নিরাপদ।

শনিবার সকাল ১১টার দিকে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) সার্জারি ও অবস্টেট্রিক্স বিভাগের কনফারেন্স রুমে ‘প্রাণির গর্ভাবস্থা নির্ণয়ে আলট্রাসনোগ্রাফি’ শীর্ষক প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্ভোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন প্রশিক্ষণের কো অর্ডিনেটর প্রফেসর ড. নাছরীন সুলতানা জুয়েনা।

বাকৃবি সার্জারি ও অবস্টেট্রিক্স বিভাগের আয়োজনে ছয় দিনব্যাপী ওই প্রশিক্ষণে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা, বিএলআরআই কর্মকর্তাসহ ১৪ জন প্রশিক্ষণার্থী অংশগ্রহণ করেন।

ড. নাছরীন সুলতানা জুয়েনা আরো বলেন, আলট্রাসনোগ্রাফিতে নিরাপদ শব্দ তরঙ্গ গবাদি পশুর প্রজননতন্ত্রে প্রবেশ করানো হয়। পরে এই শব্দ প্রতিধ্বনি হয়ে কম্পিউটার যন্ত্রের সাহায্যে একটি টেলিভিশনের পর্দায় ছবি আকারে প্রতিফলিত হয়। তাই এটি গবাদি পশুতে গর্ভের অবস্থা, গর্ভের সংখ্যা, গর্ভে ফুলের অবস্থান, বাচ্চার অবস্থান, বাচ্চার লিঙ্গ সঠিকভাবে যাচাই করা যায়।

সার্জারি ও অবস্টেট্রিক্স বিভাগীয় প্রধান সহযোগী অধ্যাপক ড. রুখসানা আমিন রুনার সভাপতিত্বে প্রশিক্ষণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. লুৎফুল হাসান। এছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভেটেরিনারি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো নাজিম আহমাদ।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. লুৎফুল হাসান বলেন, দেশের প্রাণিসম্পদ উন্নয়নে প্রাণির প্রজননে আমরা আগের চেয়ে অনেক উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করছি। কিন্তু দেশে এসব উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহারে দক্ষ লোকের অভাব রয়েছে। তাই ভেটেরিনারি ডাক্তারদের নিয়ে এরকম প্রশিক্ষণ দেশের প্রাণিসম্পদকে আরও বেশি বেগবান করবে। মানুয়ের অর্থনৈতিক স্বচ্ছলতা ফিরে আসবে।

Comments

comments