মুক্ত হল লক্ষ্মী পেঁচা, জাগ্রত হল মানবতা

সিকৃবি প্রতিনিধি:
ভুল করে বাসা থেকে নিচে পড়ে গিয়েছিল লক্ষী প্যাঁচাটি। সেখানে পেয়ে ছোট্ট ছেলেরা তাদের খেলার বস্তু বানিয়ে ফেলেছিল। পায়ে সুতা দিয়ে বেধে টানা হেচড়া করছে। এটা দেখে তাদের থামিয়ে প্যাঁচাটি উদ্ধার করেন দোকানদার কায়েস ভাই। তা দেখে লিডিং ইউনিভার্সিটির ছাত্র প্রাধিকারের একনিষ্ঠ সমর্থক কামরুল ইসলাম কল দেন প্রাধিকারের পাবলিক রিলেশন সেক্রেটারি মনজুর কাদের চৌধুরীকে। মনজুর ও প্রাধিকার কর্মী বিশ্বজিৎ দেব ছুটে যান প্যাঁচাটি উদ্ধার করতে।

বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) সিলেট জেলার সেক্রেটারি আব্দুল করিম কিম ও ভূমিসন্তান বাংলাদেশের সমন্বয়কারী আশরাফুল কবিরদের সহযোগিতায় তা উদ্ধার করেন প্রাধিকার কর্মী মনজুর ও বিশ্বজিৎ।

টানা তিনদিন তার সেবা করে সুস্থ্য করেন সিলেটের গৌরব নায়ক সালমান শাহের মামা আলমগীর কুমকুম। এর এক সপ্তাহ আগে গ্রিন এক্সপ্লোর সোসাইটি ও ভূমিসন্তান বাংলাদেশের উদ্ধার করা ভূবন চিলটি সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর মুসলেহ উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী ভেটেরিনারি টিচিং হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে আলমগীর কুমকুম সাহেবের সেবায় রাখা হয়। উল্লেখ্য যে চিলটির ডানায় গুলির ক্ষত ছিল।

আজ লক্ষী প্যাঁচা ও ভূবন চিলটি অবমুক্ত করে দেয়া হয়। তারা মুক্ত আকাশে ফিরে যায়। উপস্থিত ছিলেন প্রাধিকার কর্মী মনজুর কাদের চৌধুরী, বিশ্বজিৎ দেব, বিনায়েক শর্মা, সাহরুল আলম উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) সিলেট জেলা সেক্রেটারি আব্দুল করিম কিম, গ্রিন এক্সপ্লোর সোসাইটির সুমিত চৌধূরী এবং আলমগীর কুমকুমসহ অন্যান্যরা।

Comments

comments