নওগাঁর প্রান্তিক গো-খামারিরা চরম দুঃশ্চিন্তায়

নিউজ ডেস্কঃ

কোরবানির ঈদকে টার্গেট করে ৫টি ষাড় কিনে ছোট একটি খামার গড়েছেন নওগাঁ সদর উপজেলার চণ্ডিপুর এলাকার কামরুন্নাহার। ৪০ থেকে ৫০ হাজার টাকায় কেনা এসব গরু লাভের আশায় পালন করলেও, করোনা পরিস্থিতির কারণে দুঃশ্চিন্তায় দিন কাটছে কামরুন্নাহারের।

কামরুন্নাহার জানান, বড় আশা করে গরুগুলো বড় করেছি, এখন লাভ হবে কি হবে না চিন্তার মধ্যে আছি। দু’একজন গরু কিনতে আসছে কিন্তু তাতে লাভ হচ্ছে না।

শুধু কামরুন্নাহারই নন, এলাকার মান্নান, রেশমা ও মামুনের মতো প্রান্তিক গো খামারিরাদের একই অবস্থা। একদিকে গো-খাদ্যের চড়া দাম তার উপর করোনার মন্দা বাজার।

সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে গরুর হাট চালুসহ সরকারি সহযোগিতা দেয়ার আহবান জানান খামার মালিক সমিতির নেতা।

নওগাঁ জেলা ডেইরি ও গো-খামার মালিক সমিতির সভাপতি মো. ওয়াজেদ আলী জানান, সরকারকে আমি বলবো আমাদের স্থানীয় হাটবাজারকে চাঙ্গা করার। সরকারি বিধি মোতাবেক হাট পরিচালনা করা।

সরকারি প্রণোদনার আওতায় আনতে প্রান্তিক পর্যায়ের ক্ষতিগ্রস্ত গো-খামারিদের তালিকা প্রণয়নের কাজ চলছে বলে জানালেন প্রাণি সম্পদের এ কর্মকর্তা।

নওগাঁর ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো হেলাল খাঁন জানান, সরকার ঘোষিত প্রণোদনা যাদেরকে আমরা দেবো, সেটা তাদের গরুর সংখ্যা অনুযায়ী। কোরবানীর আগেই এ প্রণোদনা দেয়ার চেষ্টা করবো।

জেলায় বাণিজ্যিকভাবে গড়ে তোলা ছোট বড় ৩২ হাজার গো -খামারে কোরবানির জন্য প্রায় সাড়ে ৩ লাখ গরু প্রতিপালন করা হচ্ছে।

  •  
  •  
  •  
  •