কুল চাষে সাড়া জাগিয়েছে চাষী আবু বকর

নিউজ ডেস্কঃ

বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জে উপজেলার দৈবজ্ঞহাটী ইউনিয়নের বুরুজবাড়িয়া গ্রামের মৃত. মোশারেফ শেখের ছেলে মো. আবু বকর শেখ ।

বিদেশে চাকুরীতে না গিয়েও দেশের মাটিতে এখন সোনার ফসল ফলিয়ে বছরে উপার্জন করছে লাখ লাখ টাকা। একজন সফল চাষী হিসেবে গর্বিত মো. আবু বকর শেখ (৪৮)। বলসুন্দরী কুল ফলে সাড়া জাগিয়েছে চাষী আবু বকর।

৬৬ শতক জমিতে নতুন প্রজাতের বলসুন্দরী কুল ফলে চাষ করে এখন গোটা দক্ষিণাঞ্চলে সাড়া জাগিয়েছে। প্রতিনিয়ত ছুটে আসছে বাগান দেখতে বিভিন্ন জেলার চাষিরা। কিনে নিচ্ছে তারা বলসুন্দরী কলম চারা। বাম্পার ফলন পেয়ে এ চাষে উৎসাহিত হচ্ছে অন্য চাষিরাও।

চাষী আবু বকর শেখ জানান, ৬/৭ মাস পূর্বে বলসুন্দরী কুল ফলের কলম আনা হয় কুমিল্লা থেকে। এ থেকে বংশ বিস্তার হয়ে এক হাজার চারা রয়েছে এ বাগানে। প্রতিটি কুল গাছ থেকে এক মন করে কুল বরই ফল তুলছেন তিনি। দুই মাস বয়স থেকে পাঁচ মাসে মধ্যে ফলন আসে। তিন মাস থাকে এ বরইর উৎপাদন। এবারে তিনি ১০ থেকে ১২ লাখ টাকা কুল বরই বিক্রি করবেন বলে আশা করছেন।

তিনি আর জানিয়েছে, অনলাইনের মাধ্যমে ক্রেতারা চাহিদা অনুযায়ী ১৫০ টাকা কেজি দরে কুল বরই কিনে নিচ্ছেন। পাশাপাশি এ প্রজাতির পুরাতন প্রতি কলম বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা এবং নতুন কলম ২০ টাকা। ইতোমধ্যে এ উপজেলার বাহিরে পিরোজপুর, বরিশাল জেলার বিভিন্ন উপজেলায় চাষীরা কলম কিনে নিয়েছেন তার বাগান থেকে। বাগানটি পরিচর্যার জন্য প্রতিনিয়ত পাঁচশো টাকা মজুরিতে সাত জন শ্রমিক কাজ করছে।

এ ছাড়াও এ বাগানে অন্য প্রজাতের বাউকুল, কাশমেরী কুল ফলিয়ে সফল হয়েছেন তিনি। চাষি আবু বকরের নেশা-পেশা শুধু ফলের বাগান করা। লিচু, আম, পেয়ারা বিভিন্ন প্রজাতের বরই বাগানসহ ১১টি ফলের বাগান রয়েছে তার। পরিবারে বৃদ্ধ মাতা, স্ত্রী, দুই ছেলে ও দুই মেয়ে রয়েছে তার। বর্তমানে তিনি এ বলসুন্দরী কুলের চাষ করে একজন সফল চাষী হিসেবে যুব সমাজকে এ নার্সারী চাষে এগিয়ে আশার আহবান জানান তিনি।

  •  
  •  
  •  
  •  
ad0.3

Tags: