সবজি রপ্তানিতে নীরব বিপ্লব

নিউজ ডেস্কঃ

এক দশকের ব্যবধানে সবজি রপ্তানি খাতে আয় বেড়েছে প্রায় চার গুণ। করোনার ধাক্কায় কিছুটা বাঁধা পড়লেও সবজি রপ্তানিতে ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে বলে মত ব্যবসায়ী ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের। বলা চলে সবজি রপ্তানিতে নীরব বিপ্লব ঘটিয়েছে বাংলাদেশ।

সংস্থাটির হিসাবে দেশে এখন ৬০ ধরনের ও ২০০টি জাতের সবজি উৎপাদন হচ্ছে। যার ৯০ শতাংশ বীজই দেশে উৎপাদিত হচ্ছে।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্যমতে, দেশে বর্তমানে পৌনে দুই কোটি কৃষক পরিবার রয়েছে। যাদের সবাই কমবেশি বাড়ির উঠোন বা খালি জায়গায় সবজি চাষাবাদ করছেন।

একসময় টমেটো, শিম, কিংবা কপির মতো সবজি পেতে শীতকালের জন্য অপেক্ষা করতে হতো। তবে এখন সময় পাল্টেছে। বছরজুড়ে ২০ থেকে ২৫ জাতের সবজি বাণিজ্যিকভাবে চাষ করছেন কৃষকরা। ফলে সারা বছরই দেখা মিলে নানা ধরণের সবজি।

চলতি ২০২০-২১ অর্থবছরে সারাদেশে ৯ লাখ ২১ হাজার হেক্টর জমিতে শীত ও গ্রীষ্মকালীন সবজি চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর। সংস্থাটি আশা করছে, করোনার মধ্যেও এবার এক কোটি ৯৭ লাখ টন সবজি উৎপাদন হবে। অধিদপ্তরের কর্মকর্তা ও ব্যবসায়ীরা বলছেন, গত ১৫ বছরে দেশে নীরব বিপ্লব ঘটেছে সবজি চাষাবাদে।

জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা এফএও-র প্রতিবেদন অনুযায়ী, সবজি উৎপাদনের হার বৃদ্ধিতে বাংলাদেশের অবস্থান বিশ্বে তৃতীয়। উৎপাদনের পাশাপাশি সবজি রপ্তানিও বাড়ছে প্রতিবছর। মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে রপ্তানি হচ্ছে বাংলাদেশের সবজি।

হিসাব বলছে, গত অর্থবছরে ১৬ কোটি ৪০ লাখ ডলারের সবজি রপ্তানি হয় বাংলাদেশ থেকে। এর আগের অর্থবছরে যা ছিল ৯ কোটি ৯৭ লাখ ডলার। আর এক দশক আগেও এই রপ্তানি ছিল চার কোটি ৬৮ লাখ ডলার। অর্থাৎ এক দশকের ব্যবধানে রপ্তানি আয় বেড়েছে প্রায় ৪ গুণ।

  •  
  •  
  •  
  •  
ad0.3

Tags: