চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে সব ধরনের পন্য

হারাগাছ প্রতিনিধিঃ

আগামীকাল শনিবার (২৫ এপ্রিল) শুরু হচ্ছে রমজান। রমজান এলেই সাধারণ মানুষের মধ্যে একটু বেশি পরিমাণে নিত্যপণ্য কেনার প্রবণতা দেখা যায়। তবে এবার করোনাভাইরাসের কারণে আগের বছরের তুলনায় এ রমজানে কাঁচাবাজারে ক্রেতাদের ভিড় কিছুটা কম হলেও গত কয়েকদিনের তুলনায় ভিড় বেড়েছে।

জনগণকে নিত্যপণ্য দ্রব্য যেমন:- সেমাই, চিনি, মুড়ি, চিড়া, ময়দা বিশেষ করে ইফতার সামগ্রী বেশি পরিমাণে কিনতে দেখা গেছে। তাই একটু বেশী চাহিদা থাকায় বেড়েছে ইফতার সামগ্রীসহ অন্যান্য দ্রব্যের দাম। প্রতি হালি লেবুর দাম উঠেছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা, কলা হালি ৩৫ থেকে ৪০ টাকা , ১০ থেকে ১৫ টাকা কেজিতে বেড়েছে চিনির দাম প্রতি কেজিতে পাঁচ টাকা। পেঁয়াজের দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রতি কেজি ১০ টাকা আমদানি করা আদার দাম বেড়েছে সবচেয়ে বেশি। ।

বেড়েছে সব ধরনের ডালের দাম প্রতি কেজিতে ১০-১৫ টাকা । ডিম ও গরুর মাংস আগের দামেই বিক্রি হতে দেখা গেছে বেড়েছে মুরগীর বাজার ।

শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) হারাগাছ পাইকার বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

শনিবার প্রথম রোজা, তাই পরিবারের জন্য হারাগাছ পাইকার বাজারে পন্য কিনতে আসেন রংপুর সরকারী কলেজের ছাত্র মর্নেয়া ইউনিয়নের বাসীন্দা রাজীমুল রাজীব । তাকে বেশি করে পণ্য কেনার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি সবুজ বাংলাদেশকে24.কমকে বলেন, ”গত ২৫ মার্চ থেকে স্কুল, কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়সহ সব অফিস আদালত বন্ধ। মহামারী করোনার আতঙ্কে বাইরেও বের হচ্ছে না সাধারন মানুষ । এরই মধ্যে আবার আগামীকাল থেকে শুরু হচ্ছে পবিত্র মাহে রমজান । এছাড়া লকডাউন পরিস্থিতিতে রোজা রাখা অবস্থায় বারবার বাজারে আসা সম্ভব নয়। তাই যেসব পণ্য নিত্য প্রয়োজনীয় পচনশীল নয় সেসব পণ্য একটু বেশি করে কিনে রাখছি।’

এদিকে পন্যের দাম বাড়ার কথা এক মুদী দোকানীকে জিজ্ঞাস করলে তিনি বলেন , বাহির হতে কোন কাঁচামাল বা অনান্য পন্য আমদানী হচ্ছেনা । তাই যেহেতু চাহিদা বেশী তাই চড়া দামেই কিনতেছে ক্রেতা ।

  •  
  •  
  •  
  •