নিজস্ব নীতিমালায় চলতে চায় বাকৃবি

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

শিক্ষক নিয়োগ, পদন্নোতি ও পদোন্নয়নের মানসম্পন্ন নিজস্ব নীতিমালায় চলতে চায় বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি)। অন্যের চাপিয়ে দেওয়া নীতিমালা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বায়ত্তশাসনপরিপন্থী উল্লেখ করে বাকৃবি শিক্ষক সমিতি তা সর্বসম্মতিক্রমে প্রত্যাখ্যান করে। সোমবার দুপুরে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক কমপ্লেক্স ভবনে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনের মাধ্যমে এ নীতিমালা প্রত্যাখানের ঘোষণা দেওয়া হয়।

শিক্ষক নেতারা বলেন, কোন নীতিমালাই তারা গ্রহণ করতে রাজী নন।  শিক্ষার মান উন্নয়নে প্রয়োজন হলে তারা নিজেরাই আরও উন্নত নীতিমালা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করবেন। কৃষি শিক্ষার এ প্রাচীনতম ঔতিহ্যবাহী বিশ্ববিদ্যালয়টি কৃষি শিক্ষা ও গবেষণায় দেশ বিদেশে সুনাম অক্ষুণ রেখে চলেছে দাবী করেন শিক্ষক নেতারা। মেধার ভিত্তিতে সর্বোচ্চ ৭% মধ্যে থাকা শিক্ষার্থীরাই কেবল এ বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক হওয়ার যোগ্যতা রাখে উল্লেখ করে শিক্ষক নেতারা বলেন বিশ্ববিদ্যালয়টির শিক্ষক নিয়োগ, পদন্নোতি ও পদোন্নয়নের বিদ্যমান নীতিমালা ইউজিসির প্রস্তাবিত নীতিমালা বা নির্দেশিকার তুলনায় অধিকতর মানসম্পন্ন এবং যুগোপযোগী।

অভিন্ন নীতিমালা বা নির্দেশিকা দ্বারা দেশের উচ্চশিক্ষার মনোন্নয়ন কখনই সম্ভব নয় উল্লেখ করে অনেক শিক্ষক বলেন, এর জন্য প্রয়োজন পিছিয়ে পড়া বা নতুন বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে আলোচনা করে শিক্ষা ও গবেষণার মান উন্নয়নে তাদের সহযোগিতা করা। উন্নত গবেষণাগার ও গবেষণা বরাদ্দ বাড়ানো প্রয়োজন এবং প্রয়োজন স্বতন্ত্র বেতন কাঠামো।

সংবাদ সম্মেলনে বাকৃবি শিক্ষক সমিতির পক্ষ থেকে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. সুবাস চন্দ্র দাস। শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. জয়নাল আবেদীনের সভাপতিত্বে সাংবাদিক সম্মেলনে শিক্ষক সমিতির সহ-সভপতি অধ্যাপক ড. মো. আসলাম আলী, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. সাইদুর রহমান, আওয়ামীপন্থি শিক্ষকদের সংগঠন গণতান্ত্রিক শিক্ষক ফোরামের সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. রাকিবুল ইসলাম খান ও সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ মাহফুজুল হক, অধ্যাপক ড. এমদাদুল হক চৌধুরী, অধ্যাপক ড. এম.এ. সালাম, শিক্ষক সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান সহ বিশ্ববিদ্যালয় বিভিন্ন অনুষদের শতাধিক শিক্ষকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
  •  
  •  
  •  
  •