বাকৃবিতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী পালিত

bau

রোহান ইসলাম, বাকৃবি

আজ শুক্রবার (২৬ মার্চ) মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে বিশ্বের মানচিত্রে নতুন রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশের ঘোষণা দিয়েছিল একটি ভূখণ্ড, যার নাম বাংলাদেশ।

করোনা পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে দিবসটি পালন করছে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি)। সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় জাতীয় পতাকা উত্তোলণের মাধ্যমে দিবসটির কর্মসূচি শুরু হয়।

সকাল ৮ টায় জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে দিবসটির উদ্বোধন করেন বাকৃবি উপাচার্য। পরে তিনি মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভ মরণ সাগরে ফুলেল শ্রদ্ধাঞ্জলি প্রদান করেন। পরে শহীদদের স্মরণে ১ মিনিট নিরবতা পালন এবং তাদের আত্মার মাগফিরাতের জন্যে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

এরপর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারি, সামাজিক, রাজনৈতিক সংগঠন, সাংবাদিক সমিতিসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন শিল্প-সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের সদস্যরা পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শহীদদের স্মরণ করেন।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ নেতৃত্বের প্রশংসা করে বাকৃবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. লুৎফুল হাসান বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে বাংলাদেশ করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় সক্ষম হয়েছে। সারা বিশ্ব সেটির প্রশংসা করছে। বঙ্গবন্ধু যেভাবে বাংলাদেশের উন্নয়ন করতে চেয়েছিলেন তার সুযোগ্য কন্যা আজ তেমনিভাবে বাংলাদেশের উন্নয়ন করে চলেছে। তাই আপনারা সবাই যে যার নিজ নিজ জায়গা থেকে সমৃদ্ধ বাংলা গড়ার জন্যে এগিয়ে আসুন। আমার সবাই প্রধানমন্ত্রীর হাত ধরে সোনার বাংলা গড়ে তুলবো।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. এ.কে.এ. জাকির হোসেন তার বক্তব্যে বলেন, মুক্তিযুদ্ধে যারা শহীদ হয়েছেন তাদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা প্রদর্শন আমাদের মূখ্য উদ্দেশ্য। তাদের আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করে সকলকে নিয়ে আমাদের দেশকে এগিয়ে নিতে হবে।

দিবসটি উপলক্ষে প্রীতি ফুটবল খেলার আয়োজন করা হয়েছে। এছাড়া সকল উপাসনালয়ে শহীদদের আত্মার মাগফেরাত ও শান্তি কামনা করে দোয়া ও প্রার্থনার আয়োজন করা হয়েছে।

বিকেল ৩.৪৫ মিনিটে মহান স্বাধীনতা দিবসের তাৎপর্য শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। এতে প্রধান আলোচক হিসেবে অংশ নেবেন আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক (সাবেক-ভাইস চ্যান্সেলর, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়)।

সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবন ও মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিস্তম্ভে আলোকায়নের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

দিবসটি উদযাপন উপলক্ষে সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিলেন জাতীয় দিবস উদযাপন কমিটির সদস্য সচিব অধ্যাপক ড. মোঃ আজহারুল ইসলাম।

  •  
  •  
  •  
  •