শিক্ষা ভ্রমণে কোভিড-১৯ বিড়ম্বনা (পর্ব-১)

ড. মাছুমা হাবিব

নীল আকাশের বুকে একটা প্লেন উড়ে যাচ্ছে। বিছানা থেকে আকাশটা দেখা যায়। ঘরের ভারী পর্দাটা ইচ্ছে করেই সরিয়ে রাখি বিছানায় শুয়ে শুয়ে প্লেন দেখবো বলে। জানি এই প্লেন গুলোর বেশিরভাগই করোনা মহামারীর জন্য জরুরি চিকিৎসা সামগ্রী সরবরাহের কাজে নিয়োজিত। গত ১৭ মার্চ ২০২০ থেকে চেষ্টা করছি কিভাবে দেশে ফিরে যাওয়া যায়। আমি বাংলাদেশ থেকে প্রশিক্ষণের জন্য নেদারল্যান্ডস এর উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছিলাম ময়মনসিংহের বাসা থেকে ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২০ সন্ধ্যা ৬টায়। আমার প্লেন ছিল সেদিনই দিবাগত রাত ৩.২০ মিনিটে অর্থাৎ ১ মার্চ। যা হোক প্লেনে উঠে বসলাম। কিন্তু প্লেন এর নড়াচড়ার কোনো লক্ষণ নাই। এভাবে বেশ কিছুক্ষন অতিবাহিত হওয়ার পরে পাইলটের ঘোষণা ভেসে এলো প্লেনের আই টি কাজ করছেনা, মেরামত করা হচ্ছে। যা হোক, দেড় ঘন্টা পর ঘোষণা এলো প্লেনের আই টি সমস্যার সমাধান হয়েছে। আমার দোহাতে ২ ঘন্টা যাত্রা বিরতি দিয়ে কানেকটিং ফ্লাইটে উঠার কথা। এমনিতেই তখন একটু একটু করোনার ভয় আবার প্লেনের এই অবস্থা এসব ভাবতে ভাবতে কাতারের দোহা এয়ারপোর্ট এ পৌঁছে গেলাম।

দোহা পৌঁছেই জানতে পারলাম কানেকটিং ফ্লাইট মিস করেছি। এয়ারপোর্টের গ্রাউন্ড স্টাফরা আমাদেরকে এয়ারপোর্ট থেকে বাইরে নিয়ে এলেন। আমি বাসে করে হোটেলের পথে রওনা হলাম। বাস থেকেই দোহা শহর দেখছিলাম। ২০০৪ সালে লন্ডন থেকে পিএইচডি শেষ করে ফেরার সময় দুবাই ভ্রমণ করেছিলাম। সে কারণে দুবাই শহরের সাথে দোহা শহর এর সাদৃশ্য খুঁজে পেলাম। প্রায় ১৫ মিনিট পরে পাঁচ তারা হোটেল কনকর্ড এ পৌঁছালাম।

বিকেলের আগেই দোহা শহর ঘুরতে বের হলাম। পরদিন সকাল ৮টায় নেদারল্যান্ডস এর প্লেন। আমস্টারডামে যাওয়ার প্লেনে উঠার পর এবারই প্রথম প্লেন এর উপর থেকে মেসেঞ্জারে পরিবারের সাথে ভিডিও কলে কথা বললাম। প্লেন থেকেই এরিকা কে ইমেইল করলাম। যারা আমার ট্রেনিং প্রোগ্রাম অর্থায়ন করেছেন এরিকা বোম্যান হলেন তাদের প্রতিনিধি। নেদারল্যান্ডসের বার্নাভেল্ড এ পৌঁছানোর পর এরিকার সাথে আমার আবার দুই বছর পরে দেখা হয়ে খুব ভালো লাগছিলো। তারপর কিছু অফিসিয়াল ডকুমেন্টে স্বাক্ষর করে চাবি নিয়ে রুমে গেলাম। ২০১৭ সালেও এই এপার্টমেন্টে ছিলাম।

কিন্তু প্রথম দিন থেকেই আমার কেন যেন দেশে ফেরার জন্য মন টানছিলো। ২৯ ফেব্রুয়ারী আমি যখন বাসা থেকে রওনা দিয়েছিলাম তখন চীন, সাউথ কোরিয়ায় করোনার প্রকোপ ছিল। ইতালিতে ২/১ টা ঘটনা ঘটেছিলো। এক থেকে দেড় সপ্তাহের মধ্যে করোনা মহামারী রূপ ধারণ করে। প্রতিদিন বিবিসি ও সিএনএন এর খবর দেখে আঁতকে উঠতাম। আমি জীবনে সব সময় ক্যারিয়ার নিয়ে ভেবেছি। যদি আমি ট্রেনিং শেষ না করে চলে আসি বিশ্ববিদ্যালয়ে ফিরে কি জবাব দিব। আবার চিন্তা করেছি আমি যদি এভাবে চলে যাই, যদি NUFFIC আর কোন বাংলাদেশিকে ভবিষ্যতে স্কলারশিপ না দেয়।

বাংলাদেশের ফ্লাইট বন্ধ হয় ১৫ মার্চ। আমাদের ট্রেনিং অফিসিয়ালি বন্ধ করা হয় ১৬ মার্চ। ১৬ মার্চ বিকেলে তারা আমাকে কনফার্ম করে ১৭ তারিখ ৩ টায় কাতার এয়ারওয়েজ এর ফ্লাইট। আমার অনলাইনে বোর্ডিং পাস নেয়া ছিল। কিন্তু যখন কাউন্টারে গেলাম আমার পাসপোর্ট দেখার সাথে সাথে বললো তোমার দেশে নিষেধাজ্ঞা আছে – তুমি যেতে পারবেনা। আমি এরিকার সাথে এয়ারলাইন্সের লোকদের কথা বলিয়ে দিলাম। তাকেও তারা একই কথা বললেন। এরপর এরিকা আমাকে বললেন এয়ারপোর্টে অপেক্ষা করতে। সে আবার রাত ১০.২২ মিনিটের এমিরেটস এয়ারলাইন্সেরর টিকেট দিলেন। এমিরেটস এয়ারলাইন্স ও আমাকে  অপারগতা জানায়। আমি ফিরে গেলাম আবার আমার সেই ডরমিটরিতে।

তখন প্রতিটা মুহুূর্ত দেশে ফেরার জন্য ছটপট করতে থাকলাম। আমার ডরমিটরির চারদিকে ক্লাস রুম, ল্যাব – সব ফাঁকা। কোথাও কোনো জনমানব নাই। আমি বাড়ি ফেরার জন্য এতো উদ্বিগ্ন ছিলাম যে কিছুক্ষন পরপর এরিকাকে ইমেইল করতাম-এরিকা শুনতেননা। এরিকা বললেন বাংলাদেশ এম্বেসী যদি তাকে ইমেইল করে বলে ,আমাকে পাঠানো যাবে, তাহলেই সে পাঠাবে। এবার আমি বাংলাদেশ এম্বেসী, নেদারল্যান্ডস এ ইমেইলে যোগযোগ শুরু করলাম। আমি কনস্যুলার খন্দকার এহতেশামুল কবির কে অনুরোধ করলাম যে ভাবেই হোক আমাকে তাড়াতাড়ি দেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করেন। তখন উনি এরিকাকে ইমেইল করলেন যে ব্রিটিশ এয়ারওয়েজ, থাই এয়ার, ক্যাথি প্যাসিফিক, চায়না সাউদার্ন, চায়না ইস্টার্ন বাংলাদেশে ল্যান্ড করার পারমিশন আছে। সেদিনই রাত ১১টার দিকে হঠাৎ এরিকা ফোন করে বলে আগামীকাল আমি দেশে ফিরতে পারবো। সাথে সাথে আমি বাংলাদেশে আমার পরিবারকে ফোন দেই। আমি বাংলাদেশ এম্বেসী নেদারল্যান্ডস এর কনস্যুলারকেও ফোন দিয়ে বলি কাল আমার ফ্লাইট।

পরদিন সকালে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. লুৎফুল হাসান স্যারকে ফোন দিয়ে বিষটি বললাম। উনি বললেন পথে নামলেই পথ খুঁজে পাবে। আমি অনলাইনে টিকেট খুলে দেখলাম নেদারল্যান্ডস থেকে লুফথানাসা এয়ারলাইন্স এ ফ্রাঙ্কফুট পর্যন্ত, এরপর ফ্রাঙ্কফুট থেকে ঢাকা, থাই এয়ারলাইন্স। বাংলাদেশ এম্বেসী নেদারল্যান্ডসের কনস্যুলার আমাকে একটা রেকমেন্ডেশন লেটার ও দিলেন। আমি রওনা হলাম। সিনিয়র ট্রেইনার মিস্টার হেলমেক আমাকে গাড়িতে করে ইডে ট্রেন স্টেশন পর্যন্ত পৌঁছে দিল। এবার ভাগ্য অনেক সুপ্রসন্ন ছিল। এক ঘন্টার মধ্যে আমি জার্মানির ফ্রাঙ্কফুট এয়ারপোর্টে পৌঁছে গেলাম। তখন রাত ৮টার মতো বাজে। আমার প্লেন পরের দিন দুপুর ২টায়। আমি সুন্দর একটা জায়গা খুঁজে নিলাম। স্লিপিং চেয়ার গুলো সারি সারি এবং প্রতিটি চেয়ার বড় কাঁচ দিয়ে ঘরের মতো ঘেরা দেয়া। করোনার জন্য সাবধানে থকা যাবে আবার ঘুমানোও যাবে।

করোনার কারণে এই সময় গুলোতে বেশির ভাগ ফ্লাইট বাতিল হয়ে যাচ্ছিলো। যাত্রীদের ভোগান্তি চরমে পৌঁছেছিল। আমার মেয়েকে আমি এসব কোনো কিছুই জানাতে চাইছিলাম না। কিন্তু মাইশার জেরার মুখে বাধ্য হয়ে আমি বলে দেই যে, আমি জার্মানিতে। যা হোক ঘুম থেকে উঠে সকাল ১১টার দিকে বোর্ডিং এলাকায় গেলাম। বোর্ডিং শুরু হওয়ার পর যখন আমি কাউন্টারে গেলাম তখন তারা বললেন, কোভিড-১৯ এর টেস্ট রিপোর্ট লাগবে। তাদেরকে আমি বললাম তোমাদের ওয়েবসাইটে তো এটা বলা ছিলোনা। থাই এয়ারলাইন্স এর লোকদের কাছে গিয়ে কনস্যুলার এর রিকমেন্ডেশন লেটার দেখালাম, কনস্যুলার এর সাথে ফোন এ কথা বলিয়ে দিলাম। তাদের একটাই কথা এটা ইমিগ্রেশন আইন-আমাদের কিছু করার নাই। শওকত মাইশা, ওরা ভীষন কষ্ট পেল। আমার যে তখন কি অবস্থা-কি করবো, কোথায় যাবো, এখন কি করা উচিত। ভাবতে ভাবতে ইমিগ্রেশন পুলিশ এর সাহায্য চাইলাম। তারা বললেন তুমি কোভিড-১৯ টেস্ট করার চেষ্টা করো।

এরপর আমি এয়ারপোর্ট থেকে বের হয়ে প্রথমে “এয়ারপোর্ট ক্লিনিক” এ গেলাম। তারা সার্টিফিকেট দেয় “ফিট ফর ফ্লাই” কিন্তু কোভিড টেস্ট করে না। যা হোক ওদের কাছ থেকে ঠিকানা নিয়ে ট্যাক্সি নিয়ে চলে গেলাম “ইউনিভার্সিটি ক্লিনিক” এ । সেখানে যাওয়ার পর জানলাম সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত টেস্ট করানো হয়। ওখানে জিজ্ঞেস করলাম এখানে ছাড়া আর কোথাও করোনা টেস্ট করানো যায় কিনা? তাদের কাছ থেকে “করোনা টেস্টিং সেন্টারের” ঠিকানা নিয়ে সেখানে গেলাম। এখানেও ৯-১টা পর্যন্ত টেস্ট করানো হয়। তখন প্রায় বিকেল ৪ টার মতো বাজে। কোনো উপায় না দেখে আমি আবার একটা ট্যাক্সি নিয়ে এয়ারপোর্টে ফিরে আসি। মনে হচ্ছিলো এই এয়ারপোর্টটা আমার বাসা। এবার আর গতকালের মত সুন্দর জায়গাটায় থাকার কোন সুযোগ নাই। আমি হোটেল, লাউঞ্জ সব জায়গায় গিয়েছি তখন করোনার জন্য সব বন্ধ ছিল। রাতে এয়ারপোর্টকে ভুতুড়ে বাড়ি মনে হচ্ছিলো। এত বিশাল এয়ার পোর্টের সব জায়গা ফাঁকা। কেমন ভয় ভয় লাগছিলো। আমি জানি তাদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা কত উন্নত, তারপরও। রাতে প্রচন্ড ঠান্ডা লাগছিলো। এভাবেই সাধারণ চেয়ার এ বসে থেকে রাত কেটে গেলো। যাহোক সকাল ৮টায় আবার বেড়িয়ে পড়লাম করোনা টেস্ট করানোর জন্য।

জার্মানি তে আমি প্রথম গিয়েছিলাম ২০১৭ সালে বন শহরে, কিন্তু ফ্রাঙ্কফুট এ এইবারই প্রথম। সামাজিক দুরুত্ব বজায় রেখে লাইন এ দাঁড়ালাম। রাস্তা পর্যন্ত বিস্তৃত দীর্ঘ লাইন। সবার মুখে মাস্ক এবং হাতে গ্লাভস পড়া, অনেকেই কাশছেন। যখন আমি কাউন্টার এর কাছে গেলাম তখন তারা আমাকে বললেন আমার টেস্ট তারা করবেন না। তাদের কথা তোমার তো কোনো লক্ষণ নাই এছাড়া তুমি নেদারল্যান্ডসে ছিলে সেই জায়গাও প্যান্ডেমিক নয়। আমি বললাম থাই এয়ারলাইন্স এটা ছাড়া প্লেনে উঠতে দিবেনা। অনেক অনুনয় বিনয় করেও কোনো লাভ হলো না। বিফল মনোরথে আবার ফিরে আসলাম আমার অস্থায়ী নিবাস এয়ারপোর্টে। আবার থাই এয়ারলাইন্স এর কাউন্টারে গেলাম। তারা বললো আগামীকাল থেকে যাত্রী কম হওয়ার জন্য থাই এয়ারলাইন্স বন্ধ থাকবে। আমাকে বললো তুমি চায়না সাউদার্ন এ টিকেট করে দেশে যেতে পারো। ওদের কাউন্টার থেকে একজন লোক আমার সাথে দিয়ে দিলো। চায়না সাউদার্ন এর কাউন্টারে গিয়ে শুনি টিকেটের দাম ৪৯৭০ ইউরো যা বাংলাদেশের টাকায় প্রায় ৫ লক্ষ টাকা। আবার ক্রেডিট কার্ড দিয়ে টিকিট কাটতে হবে।

বিষয়টি শওকত কে বলার সাথে সাথে ও বললো আমাদের কাছে তোমার জীবনের মূল্য অনেক বেশি। আমি ক্রেডিট কার্ড জোগাড় করছি, তুমি টিকেট কেটে ফেলো। ঠান্ডা মাথায় চিন্তা করে যখন টিকেটে দেখলাম চায়নার ৪ জায়গায় যাত্রা বিরতি এবং ৩ দিন পর বাংলাদেশে পৌঁছানোর কথা। একে তো আমি ৩ দিন ধরে এয়ারপোর্ট এ। চায়নার কোথাও যদি আবার আমি আটকে যাই-চায়নার ভিসাও তো আমার নাই। এর মধ্যে আমার হাজব্যান্ড শওকত বাংলাদেশ এম্বেসী, জার্মানিতে খাদ্য, আশ্রয় ছাড়া অমানবিকভাবে এয়ারপোর্টে অবস্থান করছি জানিয়ে আমার জীবন বাঁচানোর জন্য অনুরোধ করে ইমেইল করলো। এর কিছুক্ষন পরে বাংলাদেশ এম্বেসী বার্লিন থেকে ফার্স্ট সেক্রেটারি ডা. শফিউল আজম আমাকে ফোন করে বললেন, আমি একজনকে পাঠাচ্ছি উনি এসে আপনাকে নিয়ে যাবে। উনি জার্মান আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক জনাব আব্বাস চৌধুরী। এর মধ্যে আমি আমার পরিবার, বন্ধু বান্ধব সবার সাথে কথা বলে সিদ্ধান্ত নিলাম ফ্রাঙ্কফুট এ থেকে যাবার। ১ ঘন্টা পরে আব্বাস ভাই আসলেন তিন জন কে সাথে নিয়ে। ২জন (আতিক ভাই ও রাসেল ভাই) আমার মত আটকা পড়েছেনে জার্মানিতে, আর একজন হলেন শফিক যিনি দীর্ঘদিন ধরে জার্মানিতে বসবাস করেন। আব্বাস ভাই ফ্রাঙ্কফুট এর পার্শ্ববর্তী বিজবাডন শহরের বিজনেস হোস্টেলে আমার থাকার ব্যবস্থা করে দিলেন। বিজবাডন পশ্চিম জার্মানির একটি শহর। আমি বিজনেস হোস্টেলে আমার রুমে উঠার পর শাওয়ার নিয়ে ঘুমিয়ে পড়ি। এই হোস্টেলটা খুব সুন্দর। রুমের সব কিছু সাদা রঙের। আমার কাজ ছিল সারাদিন পায়চারি করা। আমি কোথাও স্থির হয়ে বসতে পারতাম না। কত পথ যে আমি হেঁটেছি। সব পদক্ষেপ গুলো এক করলে আমি বোধ হয় বাংলাদেশে পৌঁছে যেতাম। আমার কোন কিছুই করতেই ভাল লাগতো না। সবসময় অন্যমনস্ক থাকতাম। শুধু একটাই চিন্তা ছিল কিভাবে দেশে ফিরবো। “এই দেশেতে জন্ম আমার এই দেশেতে মরি” দ্বিজেন্দ্রলাল রায় এর এই গানের লাইনটি এবার আমি জীবন দিয়ে উপলব্ধি করেছি। বিদেশ বিভুঁইয়ে মরতে চাইনি। আমার সব সময় মনে হতো আমি আর দেশে ফিরতে পারবো না।…………

 

প্রফেসর ড. মাছুমা হাবিব
গ্রাজুয়েট ট্রেনিং ইনস্টিটিউট
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ময়মনসিংহ।
sm1997m@yayhoo.co.uk

আরও পড়ুন: শিক্ষা ভ্রমণে কোভিড-১৯ বিড়ম্বনা (পর্ব-২)

  •  
  •  
  •  
  •