ব্রিটিশ যুবক স্মার্ট ঘড়ি আবিষ্কার করেছেন করোনা প্রতিরোধে

নিউজ ডেস্কঃ

প্রতিনিয়ত আমরা আমাদের মুখে হাত দিয়ে থাকি। চুলকানো, নানা অঙ্গভঙ্গি কিংবা সংকেত, এমনকি সময় কাটানোর জন্যও মুখে হাত দেই আমরা। কিন্তু করোনার এই সময়ে নাকে মুখে হাত দেয়া একেবারেই বারণ। কারণ এই হাতের মাধ্যমই আমাদের চোখ, মুখ, নাক এবং কানে নানা ধরনের জীবাণু ছড়িয়ে পড়ছে।

সেই চিন্তা থেকেই ১৫ বছর বয়সী এক ব্রিটিশ যুবক স্মার্ট ঘড়ি আবিষ্কার করেছেন। করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে এই ঘড়ি দারুণ কার্যকর বলে দাবি ম্যাক্স ম্যালিয়া নামের ওই যুবকের। তার দাবি, এই ঘড়ি মুখে হাত দেয়া থেকে বিরত রাখতে সহযোগিতা করবে।

মার্কিন সংবাদ মাধ্যম সিএনএনকে ম্যাক্স বলেন, মহামারি করোনাভাইরাসের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর স্পষ্ট হয়েছিল যে, এটি সারা পৃথিবীর মানুষের জীবনে প্রভাব ফেলবে। এই ঘড়ি হাতের মুভমেন্ট নিয়ন্ত্রণ করতে সহযোগিতা করবে। হাত যেন কোনোভাবেই মুখ স্পর্শ না করে সেই বিষয়টি মনে করিয়ে দেবে। অর্থাৎ হাত মুখের কাছাকাছি গেলেই ঘড়ির ভেতর ভাইব্রেশন হবে। ঘড়ির মনিটরের মাধ্যমে দুই হাতের মুভমেন্ট নিয়ন্ত্রণ করা হবে বলেও জানান ম্যাক্স।

২০১৮ সালে ঠান্ডা এবং ফ্লু থেকে নিজেদের রক্ষায় ম্যাক্স এবং তার মায়ের মাথায় ঘড়ির চিন্তা আসে। তবে করোনা ভাইরাসের বর্তমান পরিস্থিতি ঘড়িটি তৈরিতে সবচেয়ে বেশি কাজে দিয়েছে বলে জানান ম্যাক্স। রিচার্জেবল এই ঘড়িতে সিলিকন ওয়াটারপ্রুফ ব্যান্ড ব্যবহার করা হয়েছে। এতে হাত ধোয়া কিংবা পানিতে ভিজলেও নষ্ট হবে না।

ঘড়িটি চূড়ান্তভাবে বাজারে আনতে ৭৪ হাজার মার্কিন ডলার অর্থের প্রয়োজন। সেই লক্ষ্যে তিনি কাজও করছেন। বিভিন্ন জায়গা থেকে অর্থ সহযোগিতা ও প্রি অর্ডারের মাধ্যমে এই অর্থ সংগ্রহ করা হচ্ছে বলে জানান ম্যাক্স। খুচরা বাজারে ঘড়িটির ১১১ ডলার দাম পড়বে। ২০২০ সালের সেপ্টেম্বর নাগাদ এটি বাজারে আসতে পারে।

  •  
  •  
  •  
  •