বড় বড় ওষুধ কোম্পানিগুলোর জন্য মহামারী একটি পরীক্ষা

নিউজ ডেস্কঃ

বিশ্বজুড়ে সংবাদমাধ্যমের ঘোষণা ছিল; অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও ফার্মাসিউটিক্যাল সংস্থা অ্যাস্ট্রাজেনেকা কভিড-১৯-এর একটি সম্ভাব্য ভ্যাকসিন তৈরি করেছে, যা ভাইরাসটির বিরুদ্ধে শক্ত প্রতিরোধক্ষমতা গড়ে তোলে। প্রকল্পটি এখন ব্রাজিল ও দক্ষিণ আফ্রিকায় সত্যিকারের সংক্রমণ বন্ধ করে দেয় কিনা, তা পরীক্ষা করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ তৃতীয় ট্রায়াল অনুষ্ঠিত হবে।

পৃথিবীর মানুষের চলাচল হ্রাস করে দেয়া ভাইরাসটি স্বাস্থ্যের জন্য হুমকি হয়ে রয়েছে। এ পরিস্থিতিতে ভ্যাকসিনের খবরটি সত্যিকারের সুসংবাদ। এটা অ্যাস্ট্রাজেনেকার মুকুটে একটি বৃহৎ পালক যোগ করেছে। সংস্থাটির মালিক প্যাসকেল সরিওট আগামী বৃহস্পতিবার এ বছরের প্রথমার্ধের জন্য আর্থিক ফলাফল প্রকাশ করবেন।

যাই হোক, অ্যাস্ট্রাজেনেকার শেয়ারের দাম প্রাথমিকভাবে বৃদ্ধির পর সপ্তাহান্তে হ্রাস পেয়েছে। যদিও কোটি কোটি পাউন্ড সরকারি তহবিলের মানে হলো এটা লস করবে না। আর অ্যাস্ট্রাজেনেকা কোনো ভ্যাকসিন থেকে মুনাফা না করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

এদিকে ধনী দেশের সরকারগুলো ভ্যাকসিন ডোজের জন্য বেপরোয়াভাবে চেষ্টা করছে। তাদের তাড়াহুড়ো স্পষ্ট। ট্রাম্প প্রশাসন জার্মান সংস্থা বায়োটেক, বায়োএনটেক ও মার্কিন ফার্মা জায়ান্ট ফাইজারের কাছ থেকে ২ বিলিয়ন ডোজ কিনতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়েছে।

ওষুধ সংস্থাগুলোর প্রচেষ্টার বিপুল আগ্রহের অর্থ মহামারীটি ওষুধ শিল্পকে একটি সুবর্ণ সুযোগ করে দিয়েছে যে তারা গ্রাহকদের মানিব্যাগ খালি করার পরিবর্তে তাদের সুস্থতা নিয়েও কাজ করে। তবে যতক্ষণ না আমাদের কাছে পূর্ণাঙ্গ একটি ফলাফল থাকে, ততক্ষণ আর্থিকভাবে সফলদের ভবিষ্যদ্বাণী করা ততটাই কঠিন হবে যতটা মানবদেহের আচরণ।

  •  
  •  
  •  
  •