কাঁদছেন মাশরাফী-সাকিবরা

নিউজ ডেস্কঃ

চলে গেলেন ফুটবল ‘ঈশ্বর’ ডিয়েগো আরমান্ডো ম্যারাডোনা। নক্ষত্র পতনের ২০২০ সালে ফুটবলবিশ্বকে শোকে ডুবিয়ে গেলেন আর্জেন্টাইন কিংবদন্তি। বিশ্ব তো বটেই, বাংলাদেশের কোটি ফুটবল ভক্তের কাছে অন্য এক ভালোবাসার নাম ম্যারাডোনা। ক্রিকেটপ্রেমী দেশে টেকনাফ থেকে তেতুলিয়া পর্যন্ত কোথাও না কোথাও অশ্রু ঝরছে কিংবদন্তির চিরবিদায়ে।

বাংলাদেশের মানুষের কাছে অন্য এক আবেগের নাম ম্যারাডোনা। নব্বইয়ের দশকে যখন সবে দেশে টেলিভিশন জনপ্রিয় হচ্ছে, তখন আর্জেন্টিনাকে সমর্থন করে বড় হয়ে ওঠে একটি প্রজন্ম, যার মূল কারিগর ছিলেন ১৯৮৬ বিশ্বকাপ জেতানো কিংবদন্তি নিজে।

সেই দশকে জন্ম নেয়া বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক মাশরাফী বিন মোর্ত্তজা প্রিয় মহাতারকার বিদায়ে হয়েছেন আবেগে আপ্লুত। নিজের ভালোবাসা জানিয়েছেন ফেসবুকে।

ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে মাশরাফী লিখেছেন, ‘শোকের পরে শোক চলছে। তোমার থেকে বড় সুপারস্টার আমার চোখে আর কেউ ছিলো না, আর আসবেও না।’

 

‘ব্যক্তি জীবনে তুমি আমার একমাত্র সুপারস্টার ছিলে। যাকে আমি একবার হলেও সামনে থেকে দেখতে চেয়েছিলাম। তোমার বাঁ-পায়ের আঁকা নিখুদ গোলের ছবিগুলো মনের ক্যানভাসে থেকে যাবে আজীবন। ভালো থেকো ওপারে জাদুকর।’

পেশা ক্রিকেট হলেও ফুটবল ক্লাব বার্সেলোনার বড় ভক্ত বিশ্বসেরা ওডিআই অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। এই ক্লাবের হয়েই ইউরোপিয়ান ফুটবলে নিজের প্রতিভার জানান দিয়েছিলেন ম্যারাডোনা।

ফেসবুকে ম্যারাডোনার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন সাকিবও, ‘এমন কয়েকজন খেলোয়াড় থাকে যাদের জনপ্রিয়তা প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে ছড়িয়ে যায়। যারা সব প্রজন্মের কাছে কিংবদন্তি হয়ে উঠেন।’

 

‘ডিয়েগো আরমান্ডো ম্যারাডোনা এমনি একজন খেলোয়াড় ছিলেন। খেলার মাঠে তার অবিশ্বাস্য প্রতিভা আর ফুটবলের প্রতি ভালোবাসার কথা না বললেই না। খেলার মাঠে তিনি সবসময়ই পরিচয় দিয়েছেন বুদ্ধিমত্তার। তার মত কিংবদন্তি খেলোয়াড় ছিল বলেই, ফুটবল আমাদের এত আনন্দ দেয়। বিদায়, ডিয়েগো!’

  •  
  •  
  •  
  •