করোনা আক্রান্ত ভোটারদের নিয়ে চিন্তা

নিউজ ডেস্কঃ

কোভিড আক্রান্ত কোনও ভোটার পোস্টাল ব্যালটের বদলে বুথে এসে ভোট দিতে চাইলে তাঁকে শেষ বেলায় আসতে হবে। এমনকী, ভোট দিতে আসা কারও শরীরে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি তাপমাত্রা থার্মাল স্ক্যানারে ধরা পড়লে তাঁকে শেষ বেলাতেই ভোট দেওয়ার সুযোগ করে দেওয়া হবে। নির্বাচন কমিশনের এই নির্দেশে চিন্তায় পড়েছেন জেলাশাসক ও সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের অনেকেই। সবাই খোঁজ নিচ্ছেন, এ ক্ষেত্রে বিহারে কী হয়েছিল? কারণ কোভিড পরিস্থিতিতে বিহারের ভোট করানোর অভিজ্ঞতা থেকেই কমিশন এই নির্দেশ দিয়েছে। সেই মডেলই অনুসরণ করা হবে পশ্চিমবঙ্গ-সহ পাঁচ রাজ্যের আসন্ন বিধানসভা ভোটে।

জেলা প্রশাসনের একাংশের বক্তব্য, খাতায়-কলমে বিকেল ৫টায় ভোট শেষ হলেও বহু জায়গায় শেষ পর্যায়ে ভিড় উপচে পড়ে বুথে। তাই, নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে কিন্তু শেষ বেলায় আসা ভোটারদের কুপন দিতে হয়। ভোট শেষ হতে রাত ৯টাও বেজে যাওয়ার নজির রয়েছে। তাই, কোভিড আক্রান্ত কিংবা শরীরে স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি তাপমাত্রা থাকা ভোটারকে কখন বুথে আসতে বলা হবে? বুথে ভোটারের লাইন থাকলে তাঁদের বসিয়ে রাখা যাবে না। তাঁরা যখন আসবেন, তখন কমিশনের নির্দেশ মতো অবশ্যই বুথ ফাঁকা রাখতে হবে। ভোটকর্মীদেরই এক জন পিপিই কিট পরে তাঁদের ভোট দেওয়ার ব্যবস্থা করবেন। তার পর আর কেউই ভোট দিতে পারবেন না। করোনা আক্রান্ত কিংবা বেশি তাপমাত্রা থাকা ভোটাররা ভোট দেওয়ার পর ভালো ভাবে স্যানিটাইজ করতে হবে সব সরঞ্জাম। সেই জন্যই শেষ বেলায় তাঁদের ভোটের ব্যবস্থা করা। কিন্তু শেষ বেলায় অন্য ভোটারদের লাইন থাকলে করোনা আক্রান্ত বা জ্বর রয়েছে, এমন রোগীদের কী ভাবে এবং কোথায় অপেক্ষা করানোর বন্দোবস্ত করা হবে, সেটা বুঝে নিতে চাইছে প্রশাসন।

গোটা বিষয়টি নিয়ে সব জেলার প্রশাসনের শীর্ষকর্তারা ইতিমধ্যেই রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকদের কাছে বাখ্যা চেয়েছেন। তাঁদের বক্তব্য, এই ব্যাপারে কমিশন স্পষ্ট নির্দেশিকা দিক। তাঁরা চাইছেন, ভোটকর্মীদের প্রশিক্ষণ শিবিরে পরিষ্কার করে এই বিষয়টি ব্যাখ্যা করে দেওয়া হোক। তা না-হলে পরে নানা ভুল বোঝাবুঝি থেকে অশান্তির আশঙ্কা রয়েছে, এমনটাই বক্তব্য জেলা প্রশাসনের কর্তাদের।

  •  
  •  
  •  
  •  
ad0.3

Tags: