তীব্র গরমেও সুস্থ থাকতে মেনে চলুন এই নিয়মগুলো

gorom

নিউজ ডেস্কঃ তীব্র গরমে শরীর অল্পতে ক্লান্ত হয়ে পড়ে। কোনো কাজ করতে গেলে আমরা হাঁপিয়ে উঠি। মন-মেজাজও খিটখিটে হয়ে ওঠে। এ সময় সুস্থ থাকতে হলে শরীরের প্রতি বিশেষ যত্ন নিতে হবে।

কীভাবে গরমের সময় বাঁচাবেন নিজেকে? চলুন জেনে নেওয়া যাক সে সম্পর্কেঃ

১.সানস্ক্রিনঃ এই সময় সান স্ক্রিন ব্যবহার করতেই হবে। কারণ গরম কালে সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মির হাত থেকে নিজেকে বাঁচাতে না পারলে সান বার্ন এবং নানাবিধ ত্বকের রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বহু গুণে বৃদ্ধি পায়। এমনকী একাধিক গবেষণায় এও প্রমাণিত হয়েছে যে, অতিরিক্ত মাত্রায় অতিবেগুনি রশ্মি যদি ত্বকের সংস্পর্শে আসে তাহলে স্কিন ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়।

২. পানিঃ অতিরিক্ত গরমের কারণে শরীর থেকে প্রচুর মাত্রায় পানি বেরিয়ে যায়, যা একেবারেই শরীরের পক্ষে ভাল নয়। তাই পানির এই ঘাটতি মেটাতে গরম কালে প্রতিদিন কম করে ৩ লিটার পানি খেতেই হবে।

৩. ফল এবং সবুজ শাক-সবজিঃ রোজকার ডায়েটে ফল এবং সবুজ শাক-সবজি রাখাটা আবশ্যিক। প্রসঙ্গত, এই সময় দিনে একবার হলেও স্যালাড খাওয়ার চেষ্টা করবেন। কারণ একাধিক কেস স্টাডি করে দেখে গেছে, গরমের হাত থেকে বাঁচাতে স্যালাডের কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে।

৪. ঝাল-মশলাদার খাবার এড়ানোঃ গরম কালে যতটা পারবেন ঝাল-মশলা দেওয়া খাবার এড়িয়ে চলবেন। পরিবর্তে হালকা খাবার বেশি করে খাবেন। আসলে এই সময় হজম ক্ষমতা খুব কমে যায়। তাই স্পাইসি খাবার খেলে বদহজম হওয়ার আশঙ্কা বৃদ্ধি পায়। সেই সঙ্গে শরীরের তাপমাত্রা বেড়ে গিয়ে দেখা দিতে পারে আরও কিছু সমস্যা।

৫. নাশতাঃ ব্রেকফাস্ট না খাওয়া একেবারেই চলবে না, বিশেষত গরমের সময়। কারণ প্রাতঃরাশ শুধু এনার্জি বাড়ায় না, সেই সঙ্গে হিট স্ট্রোকে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভবনাও কমায়।

৬. মদপান নয়ঃ বছরের এই একটা সময়ে যতটা পারবেন অ্যালকোহল কম খাবেন। কারণ এই জাতীয় পানীয় শরীরের তাপমাত্রা খুব বাড়িয়ে দেয়, যা গরমের সময় প্রাণঘাতি প্রমাণিত হতে পারে।

৭. লেবুর রসঃ গরম কালে যখনই সুযোগ পাবেন ইলোকট্রোলাইট সমৃদ্ধ পানীয়, যেমন লেবুর রস এবং ও আর এস বেশি করে খাবেন। এমনটা করলে শরীরে জলের অভাব হবে না, ফলে ডিহাইড্রেশন হওয়ার আশঙ্কা কমবে।

  •  
  •  
  •  
  •