১৬ মে পর্যন্ত সাধারন ছুটি বাড়তে পারে

নিউজ ডেস্কঃ
করোনাভাইরাস সংক্রমণ ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ায় সাধারণ ছুটি আরো এক দফা বাড়ছে। ১৬ মে পর্যন্ত সাধারণ ছুটি বর্ধিত করার বিষয়ে এরই মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর কাছে প্রস্তাব পাঠিয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। প্রধানমন্ত্রী অনুমোদন দিলেই ছুটির প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে বলে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে। এর আগে পাঁচ দফায় সাধারণ ছুটির মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে
মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, সাধারণ ছুটি ১৬ মে পর্যন্ত বাড়তে পারে। ১৫ মে পর্যন্ত ছুটি বৃদ্ধির প্রস্তাব করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী অনুমোদন দিলেই ১৫ মে পর্যন্ত ছুটির প্রজ্ঞাপন জারি হবে। এর সঙ্গে ১৬ মে শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় এ দফায় সাধারণ ছুটির মেয়াদ হবে ১৬ মে পর্যন্ত।

 

সাধারণ ছুটির সময় জরুরি পরিষেবা ছাড়া গণপরিবহন ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। তবে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করে রফতানিমুখী কারখানা খুলে দেয়া হয়েছে। পর্যায়ক্রমে অন্যান্য শিল্প-কারখানাও খোলা হবে বলে সাধারণ ছুটির সর্বশেষ প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ রয়েছে। ছুটির সময় জরুরি কাজের সঙ্গে যুক্ত মন্ত্রণালয় বিভাগের অধীন দপ্তর ও মাঠ পর্যায়ের অফিস খোলা রাখা হয়েছে।

 

নভেল করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বিস্তার রোধে সাধারণ ছুটি বাড়িয়ে সর্বশেষ প্রজ্ঞাপন জারি করা গত ২৩ এপ্রিল। সেবার সাধারণ ও সাপ্তাহিক মিলিয়ে ১০ দিন বেড়ে ছুটি ৫ মে পর্যন্ত করা হয়। এর আগে গত ১০ এপ্রিল চতুর্থ দফায় সাধারণ ছুটি ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছিল। পাশাপাশি মানুষের চলাচল নিয়ন্ত্রণে আরো কঠোর নির্দেশনাও জারি করা হয়। প্রথম সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয় ২৬ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত। পরে তা ১১ এপ্রিল পর্যন্ত বর্ধিত করা হয় এবং ১২ ও ১৩ তারিখকে অন্তর্ভুক্ত করে সাধারণ ছুটির প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। এ ছুটি শেষে ১৪ এপ্রিল ছিল বাংলা নববর্ষের ছুটি।

 

এর পরের দফায় সাধারণ ছুটি ও সাপ্তাহিক ছুটি মিলিয়ে ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী জরুরি পরিষেবা যেমন বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস, ফায়ার সার্ভিস, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট ইত্যাদি খাত সাধারণ ছুটির আওতায় থাকবে না।

 

এছাড়া কৃষিপণ্য, সার, কীটনাশক, খাদ্য, শিল্পপণ্য, চিকিৎসা সরঞ্জাম, জরুরি ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য পরিবহন এবং কাঁচা বাজার, খাবার, ওষুধের দোকান ও হাসপাতালও ছুটির আওতার বাইরে। ছুটিতে জরুরি প্রয়োজনে অফিস খোলা রাখা যাবে। প্রয়োজনে ওষুধ শিল্প, উৎপাদন ও রফতানিমুখী শিল্প-কারখানাগুলো চালু রাখতে পারবে। জনগণের প্রয়োজন বিবেচনায় ছুটিকালীন বাংলাদেশ ব্যাংক সীমিত আকারে ব্যাংকিং ব্যবস্থা চালুর যে

  •  
  •  
  •  
  •