ব্যবসা প্রতিষ্ঠান – শপিংমল না খোলার সিদ্ধান্ত গোপালগঞ্জে

নিউজ ডেস্কঃ

গোপালগঞ্জ: রোবববার (১০ মে) থেকে আসন্ন ঈদ উপলক্ষে সারা দেশে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খোলার সিদ্ধান্ত থাকলেও গোপালগঞ্জ শহরের কোনো শপিংমল বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খুলছে না। তবে কেউ ঈদ উপলক্ষে কেউ চাইলে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে জেলা শহরের শেখ কামাল ক্রিকেট ষ্টেডিয়াম মাঠে অস্থায়ীভাবে খুলতে পারবেন।

শনিবার(৯ মে) জেলা প্রশাসকের কায্যালয়ে অনুষ্ঠিত ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দের সঙ্গে প্রশাসনের এক সভায় করোনা সংক্রমণ রোধে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

জেলা প্রশাসনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত সভায় জেলা প্রশাসক শাহিদা সুলতানা, পুলিশ সুপার মুহাম্মদ সাইদুর রহমান খান, সিভিল সার্জন ডা. নিয়াজ মোহাম্মদ, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব আলী খান, গোপালগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সাদিকুর রহমান খান, পৌর মেয়র কাজী লিয়াকত আলী লেকুসহ ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন কাপড় ব্যবসায়ী সমিতি, কসমেটিকস ব্যবসায়ী সমিতি, রড-সিমেন্ট-টিন ব্যবসায়ী সমিতি, ইলেকট্রিক ও ইলেকট্রনিক্স ব্যবসায়ী সমিতি, মনোহারী সমিতি, স্বর্ণ ব্যবসায়ী সমিতি সমূহের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকগণ।

গোপালগঞ্জের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও মেসার্স সুবর্ণ ইলেকট্রিকের মালিক মো. মনিরুল ইসলাম জানান, সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ঈদ উপলক্ষে কাপড় ও কসমেটিকস ব্যবসায়ীরা চাইলে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে জেলা শহরের শেখ কামাল ক্রিকেট ষ্টেডিয়াম মাঠে অস্থায়ীভাবে দোকান চালু করতে পারবেন। তবে, সেখানে ব্যবসায়ীরা যাবেন কি না এটা এখনই বলা যাচ্ছে না। আর অন্যান্য ব্যবসায়ীরা দোকান খুলতে পারবে না। তবে মোবাইল ফোনে বা অনলাইনে বেচা-কেনা করে দোকান থেকে মালামাল সরবরাহ করতে পারবেন।

গোপালগঞ্জ চেম্বারের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. মোশাররফ হোসেন বলেন, সভায় সকল সমিতির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী গোপালগঞ্জ জেলা সদরের কোনো ব্যবসা প্রতিষ্ঠানই না খোলার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। তবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে কাঁচামাল ও নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের দোকান খোলা থাকবে।

গোপালগঞ্জ চেম্বারের সাধারন সম্পাদক শেখ মাসুদুর রহমান বলেন, সব ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ দোকান খোলা না রাখার যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে তা যুগান্তকারী একটি সিদ্ধান্ত। ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকার ফলে ঈদ মার্কেটে আসা হাজার হাজার ক্রেতা সাধারণের মধ্যে করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা ছিল। তবে দোকান বন্ধ থাকায় করোনা ভাইরাস রোধ করা সম্ভব হবে।

  •  
  •  
  •  
  •