ঘূর্ণিঝড় ‘আম্ফান’ মোকাবেলায় সমস্ত উপকূলীয় অঞ্চলে প্রশাসনের ব্যাপক প্রস্তুতি

নিউজ ডেস্কঃ

ঘূর্ণিঝড় আম্পানের আঘাত থেকে উপকূলবাসীকে রক্ষায় আশ্রয়কেন্দ্র খোলাসহ সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছে প্রশাসন। উপকূলীয় এলাকায় বারংবার মাইকিং করা হচ্ছে। তবে এখনো আশ্রয়কেন্দ্রে যাননি উপকূলবাসী।

ভোলা

২০০৭ সালে তাণ্ডব চালানো সিডরের মতই শক্তি নিয়ে এগিয়ে আসছে আম্পান। ভোলার উপকূলীয় এলাকাগুলোতে তাই চলছে সতর্কতামূলক মাইকিং। মাঠে সক্রিয় সিপিপির ১০ হাজার স্বেচ্ছাসেবী। উপকূলবাসীকে দ্রুত আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়ার নির্দেশনা দেয়া হচ্ছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় শতাধিক মেডিকেল টিম ও জরুরী খাদ্য সামগ্রী প্রস্তুত রেখেছে স্থানীয় প্রশাসন।

মোংলা

‘আম্ফান’ এর প্রভাবে মোংলায় মাঝারি বৃষ্টিপাত হয়েছে। সমুদ্রবন্দরে ঘুর্ণিঝড় মোকাবিলায় দু’টি কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। এছাড়া উপকূলবাসীকে নিরাপদে সরিয়ে নিতে ১শ’ ৩টি সাইক্লোন শেল্টার প্রস্তুত রেখেছে প্রশাসন।

বাগেরহাট

বাগেরহাটেও দিনভর হালকা ও মাঝারি বৃষ্টি হয়েছে। বাতাসের বেগ কম থাকলেও রাতে তা বাড়তে পারে জানিয়েছে বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে বলেছে স্থানীয় প্রশাসন।

বরিশাল

বরিশালের নদী তীরবর্তী এলাকাগুলোতেও মাইকিং করছেন সিপিপি’র সদস্যরা। লঞ্চসহ সব ধরনের নৌযান নোঙর করা হয়েছে বন্দরে। এছাড়া বরিশাল বিভাগে ৬ হাজার আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

সাতক্ষীরা

সাতক্ষীরায় আশ্রয়কেন্দ্রে উঠতে শুরু করেছেন স্থানীয়রা। এদিকে জরুরি সেবা ও ত্রাণ বিতরণের জন্য সিপিপি, রেডক্রিসেন্টের স্বেচ্ছাসেবক, স্কাউট ও বিএনসিসির সদস্যদের প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

পটুয়াখালী

পটুয়াখালীতে সাগর উত্তাল থাকায় মাছ ধরা ট্রলারগুলো নিরাপদে নোঙর করার নির্দেশ দিয়েছে প্রশাসন। প্রস্তুত রাখা হয়েছে জেলার ৭ শতাধিক আশ্রয়কেন্দ্র।

চট্টগ্রাম

ঘূর্ণিঝড় ‘আম্ফানের’ প্রভাবে ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে তিন নম্বর সতর্কতা সংকেত জারির পাশাপাশি চট্টগ্রাম বন্দরের অপারেশনাল কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।

কক্সবাজার

ঘুর্ণিঝড় ‘আম্ফান’ এর প্রভাবে সাগর উত্তাল থাকায় কক্সবাজারকে ৬ নম্বর বিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলেছে আবহাওয়া অফিস। তবে উপকূলীয় অনেক এলাকায় এখনো প্রশাসনের মাইকিং কিংবা সতর্কবার্তা না পৌঁছানোয় আতংকে আছেন স্থানীয়রা।

এছাড়া ফেনী ও বরগুনাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় আশ্রয়কেন্দ্র খোলাসহ সকল প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে প্রশাসন।

  •  
  •  
  •  
  •