দিনাজপুরে আজ দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা

নিউজ ডেস্কঃ

দিনাজপুরে আজ বৃহস্পতিবার দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৭.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস বিরাজ করছে। ফলে ঠান্ডায় কাতর ছিন্নমূল মানুষজন আগুন জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্ঠা করছেন।
গত দুই দিন ধরে ঠান্ডা জেকে বসেছে। যানবাহনগুলো গাড়ির হেড লাইড জ্বালিয়ে চলাচল করছে। আবার হিমালয়ের হিমেল ঠান্ডা বাতাস আর ঘনকুয়াশায় ছিন্নমূল মানুষগুলো কাতর হয়ে পড়েছেন।

খড়কুটো দিয়ে আগুন জ্বালিয়ে ঠান্ডা নিবারণের চেষ্টা করছে ছিন্নমূল মানুষগুলো। কনকনে ঠাণ্ডা উপেক্ষা করে কাজের সন্ধানে বের হলেও তেমন কাজ পাচ্ছেন না খেটে খাওয়া নারী পুরুষ শ্রমিকরা। পরিবার পরিজন নিয়েও চিন্তায় রয়েছেন খেটে খাওয়া মানুষজন। ভোরের দিকে হিমেল হাওয়া যেন শীতের মাত্রা আরো বৃদ্ধি করে।

ভোরের দিকে কুয়াশা ও শিশির কনা ঠান্ডা স্থায়ী করে রাখে। মোটা কাপড় পড়ে বের হতে হয়। নিম্ম আয়ের মানুষের মোটা কাপড়ের আপেক্ষায় আছে। বিশেষ করে বয়স্ক মানুষের কম্বলের প্রয়োজন।

 

শহরে কাজের সন্ধানে আসা মহিবুল হক বলেন, ‘বাড়িতে ৫ জন খায়নেওলা। প্রতিদিন কাজ করি তারপর তাদের খাওয়া হয়। কয়েকদিন ধরে প্রচণ্ড ঠাণ্ডায় কাজ করতে পারিনা। আমার মত অনেক নারী পুরুষ শ্রমিক কাজের সন্ধানে এসে বসে আছে। কেউ তেমন কাজ পাচ্ছে না। আর আজকের ঠাণ্ডায় নেক বেশি।’

নারী শ্রমিক ময়না বেগম বলেন, দুই চার জন পুরুষ শ্রমিক কাজ করতে পারলেও নারী শ্রমিকদেরকে কাজে নিচ্ছে না। তাই এই ঠান্ডার মধ্যে পরিবার পরিজন নিয়ে কষ্টে আছি। সরকারি বা বেসরকারিভাবে কোনো শীতের বস্ত্র পাইনি।

দিনাজপুর আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তোফাজ্জুল হোসেন জানান, দিনাজপুরে আজ দেশের সর্বনিম্ম তাপমাত্রা নেমে আসে ৭.১ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের শৈত্য প্রবাহ চলছে। বাতাসের আদ্রতা ৯৮ শতাংশ।

 

দিনাজপুর ডিসি মাহমুদুল আলম জানান, সরকারের পক্ষ থেকে এ পর্যন্ত ৫৩ হাজার কম্বল পেয়েছিলাম তা দিনাজপুর জেলার তেরটি উপজেলার ১০৪ টি ইউনিয়ন ও ৯ টি পৌরসভার মধ্যে ভাগ করে দিয়েছি তা তারা বিতরণ করেছেন। দুর্যোগ ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় থেকে প্রতিটি উপজেলার ৬ লাখ করে টাকা বরাদ্দ পাওয়া গেছে। এই অর্থ ইউএনওর মাধ্যমে বরাদ্দকৃত অর্ধ বিতরণ করা হয়েছে। সেই অর্থ দিয়ে শীত বস্ত্র ক্রয় করে তা বিতরণও করা হয়েছে ।

  •  
  •  
  •  
  •