বিক্ষোভ সমাবেশে যা বললেন হেফাজত নেতারা

mamunul

নিউজ ডেস্কঃ জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররম, চট্টগ্রামের হাটহাজারীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছে হেফাজতে ইসলাম। ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী জুমার নামাজের পর দেশজুড়ে এই বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়।

বায়তুল মোকাররমে হেফাজতের কেন্দ্রীয় নেতারা বক্তব্য রাখেন ৷ তারা ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ঢাকা সফরের বিরোধিতার কর্মসূচিতে সহিংসতা, তাণ্ডব, জ্বালাও পোড়াও ও মৃত্যুর জন্য সরকারকেই দায়ী করেন৷

সংগঠনের কেন্দ্রীয় যুগ্ম-মহাসচিব জুনায়েদ আল হাবিব বলেন, আমার বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়া। সেখানে কোনো পুরুষ ঘরে থাকতে পারছে না। কিন্তু প্রকৃত অপরাধীকে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে না। আবার যারা শহীদ হয়েছেন তাদের পরিবারের লোকজনদের হয়রানি করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, মামলা হলো, এতো মানুষ গ্রেপ্তার হলো কিন্তু প্রকৃত অপরাধীকে গ্রেপ্তার করা হলো না। যিনি মাদ্রাসায় হামলা করলেন, সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে ককটেল মারলেন, গুলি করে মানুষ হত্যা করলেন, তাদের কিছুই হচ্ছে না। স্থানীয় এমপি উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী ও তার বাহিনী ঘুরে বেড়াচ্ছে। তাদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে না। আমরা তাদের গ্রেপ্তার চাই।

করোনা আতঙ্ক ছড়িয়ে মাদ্রাসা বন্ধের পাঁয়তারা চলছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, গত রমজানের মতো তারাবি ও নামাজ বন্ধের পাঁয়তারা চলছে। এ দফায় এমন করা হলে কঠোর আন্দোলন হবে। ধর্মপ্রাণদের ভয় দেখিয়ে কোনো লাভ নেই।

হেফাজতের যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হক বলেন, ‘‘মিডিয়াকর্মীদের বলবো, আপনারা অনেক শক্তিশালী, আমরা মানি৷ আপনারা যতই প্রভাবশালী, যতই শক্তিশালী হোন, যতই পরিবেশ-পরিস্থিতিকে নিয়ন্ত্রণ করেন, মনে রাখবেন আল্লাহর চেয়ে শক্তি আপনাদের বেশি নেই৷ ইসলামের বিপক্ষে আপনারা অবস্থান গ্রহণ করছেন৷ প্রয়োজনে আপনাদেরও বয়কট করা হবে৷’’

রাজধানীর এই বিক্ষোভ ঘিরে সতর্ক অবস্থানে ছিল আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। সমাবেশ ঘিরে দুপুর থেকেই মসজিদের উত্তর গেটের ভেতরে বিপুলসংখ্যক পুলিশ সদস্য অবস্থান নেয়। এ ছাড়াও পুলিশ সদস্যদের উপস্থিতি চোখে পড়ে পল্টন মোড়, দৈনিক বাংলা মোড় ও এর আশেপাশের এলাকায়। এ ছাড়াও র‌্যাপিড অ্যাশকন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) ও গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সদস্যদের দায়িত্ব পালন করতে দেখা যায়।

  •  
  •  
  •  
  •