কালবৈশাখী ঝড়ে আটজনের মৃত্যু, লঞ্চডুবি!

jhor

নিউজ ডেস্কঃ প্রচণ্ড কালবৈশাখী ঝড়ে গাইবান্ধা ও কুষ্টিয়ায় আটজনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া ঝড়ে আহত হয়েছেন অন্তত ২০ জন। রোববার (০৪ এপ্রিল) দুপুরে ঘূর্ণিঝড়ের তাণ্ডবে তাদের মৃত্যু হয়।

ঝড়ে নিহতরা হলেনঃ পলাশবাড়ী উপজেলার বেতকাপা ইউনিয়নের মোস্তাফুর গ্রামের গোফফার রহমান এবং ডাকেরপাড়া গ্রামের জাহানারা বেগম। সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ধোপাডাঙ্গা ইউনিয়নের দোয়ারা গ্রামের সোলায়মান মিয়ার স্ত্রী ময়না বেগম (৪০)। ফুলছড়ি উপজেলার গজারিয়া ইউনিয়নের কাতলামারি গ্রামের বিটুল মিয়ার স্ত্রী শিমুলী আক্তার (২৭)। সাদুল্লাপুর উপজেলায় আব্দুস সালাম সর্দার নামে এক ব্যক্তি ঝড়-আতঙ্কে মারা গেছেন।

এছাড়া ঝড়ে আহত হওয়ার পর সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন দুজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল হাসপাতালে পাঠানোর পথে দুজনের মৃত্যু হয়। তারা হলেন সদর উপজেলার তিনগাছের তল এলাকার হিরু মিয়ার শিশুসন্তান মনির মিয়া (৫) ও ফুলছড়ি উপজেলার এরেন্ডাবাড়ি গ্রামের হারিস উদ্দিন (৩৫)।

কালবৈশাখী ঝড়ের তাণ্ডবে কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলায় নির্মাণাধীন দোকানঘরের উড়ন্ত টিনে গলা কেটে রবিউল ইসলাম (৪০) নামের এক ব্যবসায়ীর মৃত্যু হয়েছে। রোববার (৪ এপ্রিল) সন্ধ্যায় ভেড়ামারা উপজেলার ধরমপুর ইউনিয়নের মহিশাডরা এলাকার দফাদার ফিলিং স্টেশনের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

এছাড়া নারায়ণগঞ্জের শীতলক্ষ্যা নদীতে একটি কার্গো জাহাজের ধাক্কায় অর্ধশতাধিক যাত্রী নিয়ে একটি লঞ্চ ডুবে গেছে। নারায়ণগঞ্জ-মুন্সিগঞ্জ রুটে যাত্রী নিয়ে চলাচল করে লঞ্চটি। প্রতিদিনের মতো রবিবার যাত্রী নিয়ে গন্তব্যে যাওয়ার পথে শীতলক্ষ্যা নদীতে একটি কার্গো জাহাজের সঙ্গে ধাক্কা লেগে ডুবে যায়।

  •  
  •  
  •  
  •