হঠাৎ করেই জনসমক্ষে বসুন্ধরার এমডি আনভীর

munia

নিউজ ডেস্কঃ হঠাৎ করেই জনসমক্ষে এলেন বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) সায়েম সোবহান আনভীর।

শনিবার শেখ রাসেল ক্রীড়াচক্র লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদের (২০২১-২৪) নির্বাচন শেষে উপস্থিত সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন তিনি। আনভীর শতভাগ ভোট পেয়ে শেখ রাসেলের পরিচালক পদে জয়ী হয়েছেন।

সায়েম সোবহান আনভীর বলেন, বিশ্বে এক নম্বর খেলা হলো ফুটবল। কিন্তু বাংলাদেশ ফুটবলে পিছিয়ে আছে। তবে ধীরে ধীরে আমরা এগিয়ে যাচ্ছি। বাংলাদেশে ক্রিকেটে যেমন একটা জোয়ার আসছে, তা ফুটবলেও আসবে। ধাপে ধাপে সবই হবে।

শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্রের পরিচালনা পর্ষদের নির্বাচন শনিবার উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়। এতে ৩০টি পরিচালক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন ৬০ জন। ভোটার ছিলেন ৯৮ জন।

শনিবার সকাল সাড়ে ৯টা থেকে ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় সকাল থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। শেষ হয় বেলা সাড়ে ১২টায়। এতে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্ব পালন করেন ইমরুল হাসান।

এর আগে গত ২৬ এপ্রিল সন্ধ্যায় গুলশানের ১২০ নম্বর সড়কের ১৯ নম্বর বাসার একটি ফ্ল্যাট থেকে মুনিয়ার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় মুনিয়ার বড় বোন নুসরাত জাহান তানিয়া বাদী হয়ে বসুন্ধরা গ্রুপের এমডি সায়েম সোবহান আনভীরের বিরুদ্ধে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগ এনে মামলা করেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, সায়েম সোবহানের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল মুনিয়ার। প্রতিমাসে এক লাখ টাকা ভাড়ার বিনিময়ে সায়েম সোবহান মুনিয়াকে ওই ফ্ল্যাটে রেখেছিল। আনভীর নিয়মিত ওই বাসায় যাতায়াত করতেন। তারা স্বামী-স্ত্রীর মতো করে থাকতেন।

মুনিয়ার বোন অভিযোগ করেন, তার বোনকে বিয়ের কথা বলে ওই ফ্ল্যাটে রেখেছিল। একটি ছবি ফেসবুকে দেওয়াকে কেন্দ্র করে সায়েম সোবহান তার বোনের ওপর ক্ষিপ্ত হয়। তাদের মনে হচ্ছে, মুনিয়া আত্মহত্যা করেনি। তাকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে।

মামলার পর গত ২৭ এপ্রিল আদালত বসুন্ধরার এমডির দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করেন। এরপর তাকে জনসমক্ষে দেখা যায় নি।

  •  
  •  
  •  
  •  
ad0.3

Tags: