আইইউবিএটিতে কৃষিবিদ দিবস ২০২৪ উদযাপন

নিজস্ব প্রতিবেদক:

কৃষিবিদ দিবস ২০২৪ ও ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অফ বিজনেস এন্ড এগ্রিকালচার টেকনোলজির (আইইউবিএটি) ৩৩তম প্রতিষ্ঠা দিবস আয়োজিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়টির ওপেন অডিটোরিয়ামে “স্মার্ট কৃষি: সম্ভাবনা এবং চ্যালেঞ্জ” শীর্ষক এক সেমিনারের আয়োজন করা হয়। এসময় আইইউবিএটির কেআইবি চ্যাপ্টারের প্রথম বর্ষ উদযাপন উপলক্ষে কেক কাটা হয়।

আইইউবিএটির মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. আব্দুর রবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি তথ্য সার্ভিস (এআইএস) এর পরিচালক কৃষিবিদ ড. সুরজিত সাহা রায়, কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (কেআইবি) এর ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক কৃষিবিদ ড. মো. আব্দুল বারী, মৎস্য অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক ও কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (কেআইবি) এর কার্যনির্বাহী সদস্য কৃষিবিদ ড. সৈয়দ আরিফ আজাদ।

এসময় কৃষির আধুনিকায়ন ও মাঠ পর্যায়ে কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে খাদ্য স্বয়ংসম্পূর্ণ হওয়া যাবে বলে জানিয়েছেন এআইএসের পরিচালক ড. সুরজিত সাহা রায়।

তিনি বলেন, পরপর চারবার বাংলাদেশ চাল উৎপাদনে বিশ্বে তৃতীয়। মাছ, মাংস, ডিম, দুধ, সবজি, ভুট্টা উৎপাদন বহুগুণ বাড়িয়েছি। কৃষি চাষাবাদ ব্যবস্থায় প্রযুক্তির ব্যবহারই দেশকে এই বিস্ময়কর সাফল্য এনে দিয়েছে।

তিনি আরো বলেন, আমাদের দেশে জনসংখ্যা বাড়লেও চাষের জমি দিন দিন কমে যাচ্ছে। তাই খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ ও স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে কৃষির আধুনিকায়ন জরুরি।

এছাড়া কৃষিবিদ ড. আব্দুল বারী বলেন, গতানুগতিক কৃষিকে বাণিজ্যিকীকরণ করতে হবে। বিশ্ববাজারে কৃষিপণ্যের বিপুল চাহিদা ও সম্ভাবনা রয়েছে। প্রযুক্তি ব্যবহারের কারণে দেশের কৃষি যে গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে তাতে আশা করাই যায় কৃষিপণ্য রপ্তানি আয় বাড়ানোর অন্যতম মাধ্যম হবে।

ড. সৈয়দ আরিফ আজাদ কৃষি ও কৃষি প্রযুক্তি নিয়ে বলেন, দেশের কৃষিক্ষেত্রের যেভাবে বিকাশ ঘটছে তাতে কৃষির আধুনিকায়নের কোনো বিকল্প নেই। স্মার্ট কৃষি বিনির্মানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহারে গুরুত্বারোপ করতে হবে। আগামীদিনে কৃষিক্ষেত্রের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় শুধু মেধাবী শিক্ষক হলেই হবে না কৃষিশিক্ষার স্মার্ট সিলেবাসও থাকতে হবে।

আইইউবিএটির সফলতা উল্লেখ করে তিনি আরো বলেন, কোনো প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হবার আগে শিক্ষার্থীরা ভাবেন এখানে পড়াশোনা করলে তাদের ভবিষ্যৎ কর্মজীবনের নিশ্চয়তা কতটুকু। দেশের ৫৪১টি উপজেলা থেকে কয়েক হাজার শিক্ষার্থী এ প্রতিষ্ঠানে পড়াশোনা করছেন। কারন তারা বুঝতে পেরেছে এখানে পড়াশোনা করলে তাদের মেধাই শুধু বিকশিত হবে না ভবিষ্যত কর্মজীবনের কণ্টকাকীর্ণ পথও মসৃণ হবে।

সমাপনী বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক অধ্যাপক ড. আব্দুর রব বলেন, কৃষিতে অভাবনীয় উন্নতির পেছনে সম্পূর্ন অবদান কৃষিবিদদেরই। তারা কৃষকদের আধুনিক কৃষি কলাকৌশল শিখিয়ে পাশে দাঁড়িয়েছিল বলেই দেশ কৃষিতে অভাবনীয় সাফল্য অর্জন করেছে। তাই দেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করতে তাদের এই প্রচেষ্টাকে অব্যাহত রাখতে হবে।

  •  
  •  
  •  
  •