বাজারে শীতের সবজি, স্বস্তিতে মানুষ
নিউজ ডেস্কঃ
কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে শীতকালীন শাকসবজির দাম কমলেও কমেনি আলু দাম ও মরিচের দাম। ব্যবসায়ীরা বলছেন গোল আলু ও কাঁচা মরিচ দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আমদানি করতে হয়। এতে খরচ বেশি হওয়ায় বেশি দামে খুচরা ব্যবসায়ীদের কাছে বিক্রি করেন। অন্যান্য শীতকালীন সবজির দাম কমে যাওয়ায় স্বস্তিতে রয়েছে এ অঞ্চলের খেটে খাওয়া মানুষগুলো।
মঙ্গলবার রৌমারী সদর বাজার, কর্তিমারী, গোয়ালগ্রাম, বড়াইকান্দি, দাঁতভাঙ্গা, টাপুরচর, হাজিরহাটসহ কয়েকটি বাজার ঘুরে দেখা গেছে এ চিত্র।
রৌমারী বাজারের খুচরা ব্যবসায়ী মোতালেব হোসেন জানান, শীতকালীন শাকসবজির আমদানি বেশি হওয়ায় গত দুই সপ্তাহের আগের চেয়ে বর্তমান অর্ধেক দাম কমেছে। প্রকারভেদে বর্তমান বাজার দর রয়েছে ফুলকপি প্রতিকেজি ২০ টাকা, বেগুন ২৫ টাকা, শিম ৩৫ থেকে ৪০ টাকা, বাধাকপি ২০ থেকে ২৫ টাকা, বটবটি ৩৫ টাকা, শসা ২০ টাকা, পেঁপে ২৫ থেকে ৩০ টাকা, গাজর ৩০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি করা হচ্ছে।
অপরদিকে গত চার মাস আগে করোনা ভাইরাসের অজুহাত দেখিয়ে প্রতিকেজি গোল আলুর দাম বৃদ্ধি করে ৫০ থেকে ৬০ টাকা ও মরিচ ১৫০ টাকায় বিক্রি করা হতো। গত ১ সপ্তাহে দাম কমে পুরাতন গোল আলু দাম বর্তমান ৪৫ টাকা ও নতুন আলু ৬০ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে। পাশাপাশি কাঁচা মরিচ বাজারে বর্তমান প্রতিকেজি ১০০ টাকা, পিয়াজ ৭০ থেকে ৮০ টাকা, রসুন ১০০ টাকা, জিরা কেজি ৩৫০ টাকা, আদাঁ ১৩০ টাকা, শুকনো মরিচ প্রতি কেজি ২০০ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে। যা আগের দামেই রয়েছে।
সোহেল রানা নামের একজন ক্রেতা বলেন, আদা, রসুন, পেঁয়াজ, শুকনো মরিচের দাম কমেনি। শীতকালীন শাকসবজির আমদানি বেশি হওয়ায় দাম অনেক কমে গেছে। ফলে অল্প টাকায় অনেক খরচ পাওয়া যায়।
আজাহার আলী নামের এক ভ্যান চালক জানান, বাজারের আনাছ-তরকারির দাম কম হওয়ায় অনেকটা স্বস্তি পেয়েছি। আমাদের এলাকায় অনেক শাকসবজির চাষাবাদ হয়েছে। যদি প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হয় বাজার দর স্বাভাবিক থাকবে বলে আমি আশা করি।
রৌমারী বাজারের পাইকারি ব্যবসায়ী লুৎফর রহমান বলেন, দেশে করোনা ভাইরাসের সময়ে বাহিরে থেকে শাকসবজি আমদানি করতে পারিনি। ফলে বাজার দর বেশি ছিল। বর্তমান এলাকায় শীতকালীন শাকসবজির প্রচুর চাষ হওয়ায় বাজার দর এমনিই কমে গেছে। আমরা কম দরে কিনি তা সামান্য লাভে ক্রেতাদের কাছে বিক্রি করছি।

