অর্থ আত্মসাতের দায়ে রাবির বরখাস্তকৃত কর্মচারী গ্রেফতার
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি:
চাকরি দেওয়ার কথা বলে নয় লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বরখাস্তকৃত এক কর্মচারীকে গ্রেফতার করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
সোমবার দুপুরে নগরীর ভেড়ীপাড়া এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয় বলে নিশ্চিত করেছেন রাজশাহী দুদকের সহকারী পরিচালক রাশেদুল ইসলাম।
গ্রেফতারকৃত খালেদ হাসান সরদার নগরীর মাসকাটা দিঘী এলাকার ওয়াশিম উদ্দিন সরদারের ছেলে। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ জিয়াউর রহমান হলের সিনিয়র সহকারী ছিলেন। তার বিরুদ্ধে নগরীর মতিহার থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
দুদক রাজশাহীর সহকারী পরিচালক রাশেদুল ইসলাম জানান, অভিযুক্ত খালেদ হোসেন সরদার বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকরি নিয়ে দেওয়ার কথা বলে আক্কাস আলীর নামের একজনের কাছ থেকে নয় লাখ টাকা নেন।
আক্কাস আলীর লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বিষয়টি তদন্ত করে অভিযোগের সত্যতা পায়। অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় খালেদকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়। এরপর গতবছর ডিসেম্বরে অভিযোগটি দুদকের কাছে আসে। অভিযোগ অনুসন্ধান করে বিষয়টির সত্যতা পাওয়ায় তাকে সোমবার গ্রেফতার করা হয়েছে।
দুদকের ওই কর্মকর্তা বলেন, ‘মতিহার থানার সহযোগিতায় সোমবার তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে এখনো আদালতে প্রেরণ করা হয়নি।’
এদিকে মামলার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন নগরীর মতিহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ুন কবির জানান, রাশেদুল ইসলাম বাদী হয়ে খালেদ হাসান সরদারের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেছেন। খালেদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, চাকরি দেবার প্রলোভন দেখিয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে ২০১৪ সালের ৩১ আগস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৫৪ তম সিন্ডিকেট মিটিংয়ে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্থায়ী বহিস্কার করা হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচ কর্মচারীকে। তার মধ্যে ছিলেন জিয়া হলের খালেদ হোসেন সরদার।

