বাকৃবিতে কৃষি অর্থনীতি ও গ্রামীণ সমাজবিজ্ঞান অনুষদের দ্বিতীয় ইন্টার্নশিপ উদ্বোধন
নিজস্ব প্রতিবেদক:
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) কৃষি অর্থনীতি ও গ্রামীণ সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের দ্বিতীয়বারের মতো ইন্টার্নশিপ শুরু হতে যাচ্ছে। আগামী ২৬ এপ্রিল থেকে এক মাসব্যাপী এই ইন্টার্নশিপ প্রোগ্রাম চলবে।
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) বিকালে সৈয়দ নজরুল ইসলাম কনফারেন্স হলে কৃষি অর্থনীতি ও সমাজবিজ্ঞান অনুষদের শিক্ষার্থীদের দ্বিতীয় ইন্টার্নশিপ-২৬-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
অনুষ্ঠানে কৃষি অর্থনীতি ও সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আমিরুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য, অধ্যাপক ড. জি এম মুজিবুর রহমান।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মোঃ শহীদুল হক, বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. হুমায়ূন কবির, রুরাল ডেভেলপমেন্ট একাডেমী (আরডিএ), বগুড়ার মহাপরিচালক ড. মোঃ আব্দুল মজিদ প্রামানিক, ক্রান্তি গ্রুপ অফ কোম্পানিস এন্ড প্রেসিডেন্ট, পদক্ষেপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মি. এ. বি. এম. সিদ্দিকসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষকবৃন্দ এবং শিক্ষার্থীবৃন্দ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. জি এম মুজিবুর রহমান বলেন, “আমাদের কৃষি অর্থনীতির প্রতি আগ্রহ কমেনি; ক্যাডার সার্ভিস আসা ভালো খবর হলেও শিক্ষার গুরুত্ব অটুট রয়েছে এবং ভবিষ্যতে আগ্রহ আরও বাড়বে। শুধু সরকারি চাকরির দিকে না গিয়ে শিক্ষার্থীদের উদ্যোক্তা হওয়া উচিত, যাতে তারা নিজেরা সফল হওয়ার পাশাপাশি অন্যদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে পারে।
কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চ ব্যয়ের শিক্ষাকে সার্থক করতে হলে গ্র্যাজুয়েটদের এমন ভূমিকা রাখতে হবে, যা দেশের অর্থনীতিতে বাস্তব অবদান রাখে।”
অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আমিরুল ইসলাম বলেন, “আজ আমার ছাত্র-ছাত্রীদের খুব প্রফেশনাল এবং সাকসেসফুল মনে হচ্ছে। তোমরা ইন্টার্নশিপের পাশাপাশি খুব ভালোভাবে এনজয় করবে। এই সুযোগটি মিস করবে না। আমি আসলে বেশি ভ্রমণ পছন্দ করি, তাই দেশভ্রমণ হয়ে গেছে। আমি শুধু বলব, তোমরা এক একজন এক একটি প্রতিষ্ঠানে যাচ্ছো, তোমরা আমার বিশ্ববিদ্যালয় ও আমার ফ্যাকাল্টির প্রতিচ্ছবি। কাজেই তোমাদের কোনো আচরণে যাতে আমার বিশ্ববিদ্যালয়ের মান-সম্মান কোনোভাবে বিন্দুমাত্র ক্ষুণ্ণ না হয়।”
তিনি আরও বলেন, আমরা যে সব জায়গায় যাচ্ছি, এরাই কিন্তু আমাদের পোটেনশিয়াল এমপ্লয়ার। কাজেই আমাদের ইমপ্রেশনটা যেন ভালোভাবে রাখতে পারি। এমনও হতে পারে, যারা সরকারি চাকরির কথা ভাবি না, যারা মনে করি প্রাইভেট সেক্টরে ক্যারিয়ার ডেভেলপ করতে চাই, তাই তোমাদের সুবর্ণ সুযোগ।”
উল্লেখ্য, উক্ত ইন্টার্নশিপ প্রোগ্রামে অংশগ্রহণ করছে কৃষি অর্থনীতি ও সমাজবিজ্ঞান অনুষদ-৫৮ ব্যাচের একশ একজন শিক্ষার্থী এবং ২৯টি প্রতিষ্ঠানে তাদের ইন্টার্নশিপ অনুষ্ঠিত হবে।
আসিফ/এসবি







