এমপি লিটন হত্যা: প্রধান আসামি ও সহযোগী গ্রেফতার
গাইবান্ধা প্রতিনিধি:
গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনের আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য (এমপি) মঞ্জুরুল ইসলাম লিটন হত্যা মামলায় প্রধান সন্দেহভাজন আসামি আশরাফুলকে গ্রেফতার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)। এ সময় জহিরুল ইসলাম নামে তার এক সহযোগীকেও গ্রেফতার করা হয়।
বৃহস্পতিবার দুপুরে সংবাদ মাধ্যমকে এ তথ্য জানান র্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের সহকারী পরিচালক সহকারী পুলিশ সুপার (এসপি) মিজানুর রহমান।
তিনি জানান, বুধবার রাতে অভিযান চালিয়ে রাজধানীর বাড্ডা থেকে আশরাফুল ও জহুরুল ইসলাম নামে দুজনকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত আশরাফুল সুন্দরগঞ্জ জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির হাজি ইউনুসের ছেলে। আর জহুরুল তার সহযোগী।
এর আগে, ৭ জানুয়ারি (শনিবার) এ মামলায় গ্রেফতারকৃত ছয় জনকে আদালতে হাজির করে রিমান্ডের আবেদন করা হয়। প্রত্যেকের বিরুদ্ধেই ৩০২/৩৪ ধারায় মামলা করেছে পুলিশ। ৮ জানুয়ারি (রোববার) পুলিশের আবেদনের ভিত্তিতে তাদের রিমান্ড মঞ্জুর করে আদালত।
তাদের মধ্যে রয়েছেন- জামায়াতে ইসলামীর অর্থ যোগানদাতা স্থানীয় সোনারায় ইউনিয়নের হাজী ফরিদ উদ্দিন, হযরত আলী, সামিউল হক, হাদিসুর রহমান, জিয়াউল হক ও নবীনুর রহমান।
এ ছাড়া ৮ জানুয়ারি (রোববার) সকালে মঞ্জুরুল ইসলাম হত্যা মামলায় পুলিশ সুন্দরগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আহসান হবিব মাসুদকে নিজ বাড়ি থেকে গ্রেফতার করেছে।
একই দিন দুপুরে সুন্দরগঞ্জ উপজেলা পূর্ব অঞ্চলের জামায়াতের আমির ও চেংমারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সাইফুল ইসলাম মণ্ডলকেও গ্রেফতার করে পুলিশ।
উল্লেখ্য, ৩১ ডিসেম্বর সন্ধ্যা ৬টার দিকে সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বামনডাঙ্গা ইউনিয়নে শাহবাজ এলাকায় নিজ বাড়িতে আততায়ীর গুলিতে আহত হন লিটন।
পরে তাকে গুরুতর অবস্থায় উদ্ধার করে রংপুর মেডিকেল কলেজ (রমেক) হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে সন্ধ্যা ৭টা ৪০ মিনিটে লিটনকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক।
এ ঘটনায় লিটনের বোন ফাহমিদা বুলবুল কাকলি বাদী হয়ে সুন্দরগঞ্জ থানায় অজ্ঞাতদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন। এখন পর্যন্ত অনেককেই গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

