পশুপালন শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের বিরুদ্ধে বিভিএসএফ এর প্রতিবাদ

নিজস্ব প্রতিবেদক:
প্রাণিসম্পদ অধিদতরের একটি প্রকল্পে স্বল্প সংখ্যক পশুপালন ডিগ্রিধারী নিয়োগ দেয়ার প্রতিবাদে চলমান পশুপালন শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছে বাংলাদেশ ভেটেরিনারি স্টুডেন্টস ফেডারেশন (বিভিএসএফ)।

বাংলাদেশ ভেটেরিনারি স্টুডেন্টস ফেডারেশন (বিভিএসএফ) এর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের জাতীয় কৃষি প্রযুক্তি প্রকল্পে চাকরির জন্য আবেদন করে ১৪ % এএইচ এবং ৮৬ % ভেটেরিনারিয়ান। তাঁর মধ্যে লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ১২% এএইচ এবং ৮৮% সমন্বিত কারিকুলামের ভেটেরিনারিয়ান ডিগ্রীধারীরা।

প্রশ্নপত্ত্রে সাধারণ জ্ঞানের পাশাপাশি এএইচ থেকে ৩টি অথবা ভেটেরিনারি থেকে ৩টি বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন উত্তর করতে চাওয়া হয়েছিল। লিখিত পরীক্ষায় ৩৪১ জন ডিভিএম গ্রাজুয়েট এবং ৪৭ জন এএইচ গ্রাজুয়েট উত্তীর্ণ হয়। ভাইভা শেষে ভাইভার নম্বর এবং লিখিত পরীক্ষার নম্বর যোগ করে ফলাফল প্রদান করলে ৯৫ ভাগ সমন্বিত কারিকুলামের ভেটেরিনারিয়ানরা উত্তীর্ণ হয়। সেখান থেকে মেধাতালিকায় ৮৯ জন ডিভিএম আর ৬ জন এএইচ নিয়োগ পায়।

প্রক্রিয়াটি সম্পূর্ণ স্বচ্ছ বিধায় ভেটেরিনারি ফেডারেশনের অনেক সাবেক নেতৃবৃন্দ পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করলেও উত্তীর্ণ হতে পারে নি। তাই এটি নিয়ে অযৌক্তিকভাবে কারও উস্কানিতে ষড়যন্ত্র লিপ্ত হওয়ার কোন অবকাশ নেই।

অপরদিকে, এই প্রকল্পে ভেটেরিনারিয়ানরা নিজেদের মেধার স্বাক্ষর রেখে পরীক্ষায় ভাল করেছে। এটি অস্বীকার করার কোন উপায় নেই যে দেশের প্রাণিসম্পদ উন্নয়নের ভেটেরিনারিয়ানরা যোগ্যতার স্বাক্ষর রাখছে। শুধু কোঠা বা ডিগ্রী নিলে হয় না মেধা থাকতে হয়। ২৫২ জন বাদ পড়া ডিভিএম গ্রাজুয়েট ও তাইলে আন্দোলন করতে পারে।

বাংলাদেশ ভেটেরিনারি স্টুডেন্টস ফেডারেশন (বিভিএসএফ) এর পক্ষ থেকে আরো বলা হয়, পরীক্ষায় ফেল করে আন্দোলন করে চাকরি নেয়া যায় না। এই এনএটিপি নিয়োগের মাধ্যমে স্পষ্টতই বুঝা যাচ্ছে সরকার যে উদ্দেশ্যে কম্বাইন্ড ডিগ্রী চালু করেছে তার ফল এখন পাওয়া যাচ্ছে। জয় হয়েছে কম্বাইন্ড ডিগ্রীর।

এ বিষয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব কাজী ওয়াসিউদ্দিন বলেন, প্রকল্পের চাহিদা অনুযায়ী ভেটেরিনারি ও পশুপালন ডিগ্রিধারীদের আবেদন চাওয়া হয়েছিল।

এরপর লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের নিয়মানুযায়ী নিয়োগ দেয়া হয়েছে। সেখানে কে বা কারা কতজন নিয়োগ পেয়েছেন তা দেখা হয়নি। তা ছাড়া কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে সমন্বিতভাবে ভেটেরিনারি ডিগ্রি দেয়ায় স্বভাবতই এ ডিগ্রিধারী প্রার্থী অনেক বেশি ছিল।

  •  
  •  
  •  
  •