পর্তুগালে দাবানলে ৬২জন নিহত, তিন দিনের জাতীয় শোক
আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
পর্তুগালের পেদ্রোগাও গ্রান্দে এলাকার প্রায় ৬০টি অংশে ছড়িয়ে পড়া দাবানলে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৬২ জনে দাঁড়িয়েছে। এদের মধ্যে চার শিশুও রয়েছে। আহত হয়েছে ৫০ জনেরও বেশি। দাবানল থেকে বাঁচতে গাড়ি করে পালানোর সময় বেশিরভাগ মানুষের প্রাণহানি হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির সরকার। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এরইমধ্যে তিনদিনের জাতীয় শোক ঘোষণা করেছে পর্তুগাল কর্তৃপক্ষ।
সরকারি তথ্য বলছে, নিহতদের অধিকাংশই দেশটির কোয়িমব্রার ৫০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পেদ্রোগাও গ্রান্ডে এলাকা থেকে গাড়িতে করে নিরাপদ স্থানের যাওয়ার সময় দাবানলের কবলে পড়েছিলেন।
শত শত অগ্নি নির্বাপনকর্মী দাবানল ঠেকানোর চেষ্টা করেছেন। দাবানল চারদিক থেকে ছড়িয়ে পড়েছে। দেশটির প্রধানমন্ত্রী অ্যান্তনিও কস্তা বলেছেন, বনাঞ্চলে দাবানলে সাম্প্রতিক বছরগুলোর একটি ভয়াবহ দুর্ঘটনা প্রত্যক্ষ করলাম।
এখনো অনেক মানুষ নিখোঁজ থাকায় নিহতের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তিনি। রোববার থেকে দেশটিতে তিনদিনের শোক ঘোষণা করা হয়েছে।
দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব জর্জ গোমেজ বলেছেন, দাবানলে অধিকাংশের প্রাণহানি ঘটেছে ধোঁয়ায় শ্বাস-প্রশ্বাসের সমস্যার কারণে। এছাড়া দাবানলের কারণে দুর্ঘটনায় অন্তত দুজন নিহত হয়েছে।
এর আগে মন্ত্রণালয়ের এই কর্মকর্তা বলেন গাড়ির ভেতর থেকে ৩০ মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া মটর সড়কের পাশের একটি গ্রাম থেকে ১১ জনের দেহ উদ্ধার করেছে স্থানীয় কর্মকর্তারা।
সূত্র : বিবিসি।

