তথ্য অধিকার আইন দেশের জনগণের আইন

তানোর (রাজশাহী) প্রতিনিধি :

ব্রিটিশ আমল থেকে ১১ শতাধিক আইন জনগণের ওপর প্রয়োগ করা হচ্ছে। কিন্তু তথ্য অধিকার আইন ২০০৯-এ দেশের জনগণের আইন। জনগণ এর প্রয়োগের ক্ষমতা রাখেন। মঙ্গলবার (২৬ ডিসেম্বর) বেলা ১১টায় রাজশাহীর তানোর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে জনঅবহতিকরণ সভায় তথ্য কমিশনার নেপাল চন্দ্র সরকার এ কথা বলেন।

তথ্য অধিকার আইন ২০০৯ বিষয়ক জনঅবহিতকরণ সভার প্রধান অতিথি নেপাল চন্দ্র আরও বলেন, ১৯২৩ সালের দাপ্তরিক গোপনীয়তা আইন বলবৎ থাকায় অফিস-আদালত সবখানে তথ্য গোপন রাখতে হয়। তাতে জনগণের তথ্য জানার অধিকার ছিল না। তথ্য অধিকার আইন চালু হওয়ায় নাগরিকের তথ্য জানার অধিকার হয়েছে। তাঁরা যেকোনো দপ্তরে কর্তৃপক্ষের কাছে নির্ধারিত ফরমে আবেদন করে তথ্য জানতে পারবেন। তথ্য না দিলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

তথ্য কমিশনার আরও বলেন, ‘তথ্য অধিকার আইন ২০০৯-এর মাধ্যমে নতুন সংস্কৃতি চালু হয়েছে। যার পূর্ণতা দিতে ব্রিটিশ আমলের পুরোনো ধারণা থেকে বেরিয়ে এসে আমাদের রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিকভাবে নতুন মানসিকতা নিয়ে তৈরি হতে হবে।’
উপজেলা প্রশাসন ও তথ্য কমিশন বাংলাদেশ আয়োজিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুহা. শওকাত আলী। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আমিরুল ইসলামের সঞ্চালনায় সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন তথ্য কমিশনারের সহকারী পরিচালক ও তথ্য কমিশনারের একান্ত সচিব মোহা: সালাউদ্দীন, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আব্দুল্লা-আল-মামুন, তানোর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রেজাউল ইসলাম প্রমুখ। স্বাগত বক্তব্য দেন উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান বন্দনা রানী।

সভায় উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, স্কুল-কলেজের প্রধান, পৌরসভার কাউন্সিলর, ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান ও সংবাদকর্মীরা অংশ নেন।

 

  •  
  •  
  •  
  •